প্রকৃতি জুড়ে প্রৌঢ়ত্বের ছাপ , মলিন হচ্ছে সবুজ
রুগ্ন নদী নিতম্ব নাচিয়ে প্রশ্ন করে—
‘নেই সেই কলরব! তবে কী ফুরিয়ে গেছে সব?’
নির্বাক বাতাস শুধুই বয়ে যায়
বোবা চোখে জানায় আশ্রয়ের আকুতি
বিনিময়কৃত উচ্চারণে ছিল না কোনো অসত্য
সোজাসাপটা বলেছিলে ‘ভালোবাসি! ভালোবাসি!’
‘বিবাগী মেঘ’ আলতো পায়ে এসে, দাঁড়ালো পাশে
বললো হেসে, ‘অন্ধ প্রেমে অবরুদ্ধ যারা
তারা ডুবসাঁতার বোঝে, সংসার বোঝে না’।
‘স্তূপাকৃতি মায়া’ শোকে পাথর হলো
সবুজহীন পাহাড়ের চূড়ায় লিখল রক্তাক্ত অক্ষরে
‘এসো প্রত্যাখ্যানের আগুনে দগ্ধ না হয়ে ‘দুঃখ’ হই
অপেক্ষার কোলে এক শতাব্দী নীরব-নিস্তব্ধ হয়ে থাকি।
‘অপেক্ষা’ তাচ্ছিল্য ভরে জানতে চাইল
‘মানুষ বাঁচে কত বছর?’