তোমার ওই কাজল কালো চোখ কি কথা বলে
অনেক কিছুই বলে যা বুঝে নিতে হয়,
পাহাড় থেকে নেমে আসা ঝর্ণাধারার তীব্রতা
বাঁধভাঙা নদীর মতো দু’কুল ছাপিয়ে ছুটে চলে,
দু’দিকের প্রকৃতি আর তার দু’টি পাড় জানে
কতটা যাতনা তাকে সইতে হয়।
আবহমান কাল থেকে সে খরস্রতা নদীতে ভেসে
গেছে কত বিদগ্ধ জন তার কোন হিসেব কারো
জানা নেই
কত মুণি ঋষি কত প্রেমিক প্রেমিকা নিরবে আশ্রয়
নিয়েছে সে নদীর দুকুল ঘেঁষে।
পার্বতী-দেবদাস লাইলি-মজনু শিরি-ফরহাদ
রচে গেছেন তারা প্রেমের উপাখ্যান।
রাতের নীরবতা ভেদ করে ঝর্ণার কূলুকূলু রবের
সাথে কত অবুঝ প্রেমিক প্রেমিকা খুঁজে ফিরে
একটু শান্তির ছোঁয়া,
তৃষ্ণার্ত ঠোঁটের মধুর চুম্বনে খুঁজে পায় শান্তনা
নদীর জোয়ারে গা ভাসিয়ে ছুটে চলে অজানা
পথে শান্তির সন্ধানে রাতের নির্জনতায়।
তৃষিত হৃদয় প্রেমময় হয়ে উঠে সে জোয়ারের
মুগ্ধ স্পর্শে,
মূহুর্তে শান্ত হয়ে যায় হৃদয়ের চাওয়া পাওয়া
যাপিত জীবনের চরম সুখের মধুর সমাপ্তি ঘটে,
চোখের ভাষা শেষ লেখা টেনে দেয় মধুর আবেশে।