তপ্ত বিছানায় গড়াগড়ি খায় বারবনিতার নাকফুল
করুণ আর্তনাদ পাশ কাটিয়ে
উদাসী মনে পাশেই দাঁত কেলিয়ে হাসে যুবতী সময়
বিদ্যুৎ ঝলসানো আলোর বিচ্ছুরণে
মাটিতে লুটিয়ে পড়ে হাসির জৌলুষ
মেঘের রক্তচক্ষুর দাপটে
নেতিয়ে পড়ে শক্ত মাটির শরীর
এসব কিন্তু আপনাকেই বলছি
ধূমায়িত চায়ের কাপে
বাষ্পকুণ্ডলী পাকাতে পাকাতে
খানিকটা উঁচু হলেই
স্বঘোষিত কবি কাব্যের পঙক্তিমালায় তুলে ঝড়
দশ নম্বর বিপদ সংকেত অতিক্রম হবার ভয়ে
চিৎকার করে বলতে ইচ্ছে করে
হ্যাঁ এসব আপনাকেই বলছি
রূপক আর চিত্রকল্পের ফারাক না বুঝে
বাংলা হরফে লিখে রূপকথার গল্প
রূপ-লাবণ্য ধূলোয় মিশিয়ে
পথভ্রষ্ট হতাশাগ্রস্ত নাবিকও জানে
কোন কেসিমের কবিয়াল হলে
ওরা এতো নিচে নামতে পারে
মূর্খতার গণ্ডি অতিক্রম হলে
ভণ্ড কবিয়ালদের বলতে ইচ্ছে করে
বুকের পাটা মেপে দেখি একবার
ভীষণ জানতে ইচ্ছে করে কতটুকু দম পেলে
হাতের তালুতে বন্দি করে রাখবে ভাগ্য আকাশ
হৃদয়টা ফ্রাই করে খাবো বলে
দিনের পর দিন
মাসের পর মাস
বছরের পর বছর
অনাহারে আছে আধখানা মন
শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী পেলে
মনের আহাজারি মিশানো মসলায়
ভুনা করে দিতাম
ক্ষত-বিক্ষত হৃদয়ের তন্ত্রী।