নিজেকে মাটিতে মিশিয়ে ছোট হওয়া যায়!
জীবনের অস্তাচলে এসে
মুঠোয় মুঠোয় বিষাক্ত ছোবল খাচ্ছি।
মানুষকে করছি উন্মাতাল।
কি হিসেব দেবো প্রীত জগতের জীবনের
পরিপাট্যের কোন্দলে—!
স্বপ্নীল আখ্যায়িত মিথ্যাভুত সম্ভাবনার!
হে মহাশ্বর——–নিভৃত টেপাটেপির
র্হস্যের উন্মোচন করো—
কোথায় তোমার অজানা হিৎস্যা!
কাহাতাক—চিজ ভারী মাস্তে মাস্ত ক্যারুঙ্গি!
আলোর বালিয়াড়ি ঝাড় না দিলেও
জোছনার ফেরিকরা এক চিলতে অনুস্বর দাও!
ক্রোশের সমুদ্র সফেন পেরিয়ে
জীবন নদী—- খরা খালে বাড়ন্ত হচ্ছে
নিতান্তই কি তা জীবনের ঠাঁই….
নাকি আস্তর সূর্যরশ্মি আছড়ে পড়েছে পৈতানে!
বুকের গভীরে কষ্টের ধূসর বিষন্ন মানচিত্র!
খুবলে খাচ্ছে জীবন্ত দুখবিলাস!
হায়! জন্ম দেশ—হায় দ্বেষ!
ক্লেশের চিন্তা হাত ভর্তি—শয়নে ধূপগন্ধী গাঢ় অন্ধকার —ক্ষয়ে ক্ষয়ে আসে!
বিচিত্র ভব তুমি—সত্যিই সেলুকাস!
ওপেন টু বায়স্কোপের খেলায়
আমারা জব্বর মহারথী——
বিষনামা বিষম খেতে আমরা সবাই মহানন্দী!
জীবনের পারসেকটপ্টে শুধু রকমারি ভুয়া!
আসলেই তা কেবল চালুনি ভাঙার নিড়ানি!
দুরত্বটাকে বাড়িয়ে দিয়েছি হেয়ালি দ্বিধায়
আগলে ধরেছি হজমি চাচার জাখমি
—————খোয়াবনামাকে!
গুনে বুঝে নিচ্ছি নুরানি কেতাবের বই নয়
গানের স্বরলিপি অদৃশ্য দৌড়ের বিদ্যা।
অজান্তেই রপ্ত করছি চৌর্যবৃত্তি।
রসিয়া নাগরের হাল ছেড়ে নেভাল
ক্যাপ্টেনের শার্টের আস্তিনে বসে বসে
ওপেন টু বায়স্কোপ খেলার ফাঁদে নিত্য রত!
কেননা—জীবন নামক সমুদ্রে আমি এক
——————-পাষাণ ধাউড়! উড়ালপক্ষি!