আমার ঝোলাভরা শৈশব সর্বদা পালিয়ে বেড়ানো—তিতিরের কান্না!
যেমন দ্বৈরথ পেরিয়েই কালান্তর!
আমার বয়স ভাবলেই হুলো বেড়ালের
———মতো আৎকে উঠে সময়!
বিশ্বাসের দোলা চম্পক দেয় নীল ডোরাকাটা দাগে—-ইলেক্ট্রন ঠাকুরমার ঝুলির ভোলানো
———–মিঠানো মণ্ডা মিঠাই আর হাওয়ায়
———–বাতাসার মতো!
কুরুক্ষেত্রের ক্যাটওয়াক যেমন এলোমেলো
ঠিক তেমনই উদ্দেশ্য পথিক আর পৃথক সময়
——ধামাধরার কোলাহল মাত্র!
তবুও জীবন পরিধি মাপার প্যারামিটার পেলাম কোন ভাবে কিংবা কোন বন্দনায়!?
গহীনে শব্দ বুনে—অহমিকায়!
তুমিও কি ছিলে শুন্য আয়তনে শুন্য আয়োজনে
পঙক্তির ঠিক বিপরীতে ফুটফুটে আতরিয় ঘ্রাণে মাতোয়ারার — হীনমন্যতায়!
লেবাসে দেখাতে আমি সয়ম্বরার ধাত্রী
বয়সে—মাঝ নদীতে নাজুক কাল!
গাঙের রেখা ধরে উজানে গুণ টেনে গেলো
অজান্তে কতো নওজোয়ান —তখন আমি পাড় ভাঙার অবহেলায়
———– জব্বর গোয়ার্তুমির ভরা জলসায় ফিকির করা বাজিকর!
কণার সঠিক বেগ গর্ভবতী তীরে
অজানা কাহন ঢেউয়ে ঢেউয়ে গল্প
———শুনিয়ে যেতো অতিরেক ঘনিষ্ঠ সংযোগে!
রাতের আঁধারে ভাগ্য গুনতো বেদে-বেদেনীরা
জোয়ানির ছপাছপ গোঙানির বিলাপে
—— লজ্জ্বায় আকুল হতো নদীর মন্থন!
আমি তখনো বেহুশ আঁজলা ভরা জলে!
আজ আমার শুন্য তীরে বসত গড়ে বউটুবানি!
প্যাঁচার দীঘল ডাকে গোরের সুনসান খোপ
ঘুমন্ত আমি আধো জাগে নিরব কথন শুনি
———শশ্মানের মৃত শবের!
তবুও ফুরাইনা বেলা অবেলার পথ!
রক্তের আঙিনায় হোলির বারতা নেই
শুধু প্রেতাত্মা ভর করে আমার ডাহুক সময়কে
————অস্থির উল্লাসে!