কমলাপুরের ষ্টেশনে- বেশ কিছুক্ষণ ধরে
বসে দেখি রেলগাড়ি যায় আস্তে কভু জোরে।
এমন সময় একজনা যে আসলো নিকট কাছে
অবাক হয়ে চেয়ে বছর ফিরি বিশেক পাছে।
তারপরেতে জিজ্ঞাসিলাম, বর্ষা কোথা থেকে?
বল্লো থাকি মতিঝিলে- সেই যে জীবন বেঁকে!
তারপরেতে তুমি কেমন সঙ্গী কেমন আছে?
ছেলেমেয়ে কজন বলো- দিনাজপুরের কাছে?
সেই যে মাটির পথটি ধরে স্বপ্নপুরের সাথে
থাকো আজো যাচ্ছো সেথা? ব্যাগটি শুধু হাতে!
কিন্তু কেন বলো বলো? আর শুনোনা ফিরে
হারাই তারে তোমার মতন জীবন নদীর তীরে।
তারপরেতে চিত্র ছবির গল্প এলে শেষে
বল্লো কী সব হায়রে মাবুদ এমনি কপাল বেশে!
তোমার বেলায় ভাগ্যে কেন এমনি সদা লেখা?
আমার বুঝি ভুলের ফলে তোমায় এমনি দেখা!
না নহে নয় ও কিছু নয়- তুমি আছো ভালো
তাইতো আজি বহুদিনে লাগছে আকাশ আলো।
সত্যি তুমি হওনি বদল- তোমার মনের মতো
এই ধরণির পুরুষ সবার মনটা যদি হতো!
তবে হতো ধরাটা যে সুখে ভরা আরো
আচ্ছা আমায় একটি কথা বলতে আজি পারো?
কেন আমায় না বলিয়া সেদিন গেলে চলে?
আকাশ ভেঙ্গে পড়ে যে মোর কলেজ ছুটি হলে।
কোথা যেয়ে খুঁজবো তোমা বলবো কারে ডেকে?
কোন পেছনের কারণেতে গেলে আমার থেকে?
তোমার আব্বা, বড় ভাইয়ে বল্লো যা তার মানে
মেয়ের জামাই যে হবে সে থাকবে তো এইখানে।
সব জামাইয়ে হলো দূরের- এবার বলে এরে
রাখবো ঘরে এই কথাতে কেইবা বলো ফেরে?
তাই ফেরোনি একটিবার ও ভাবলে নাতো পিছু
পাঁচটি বছর পড়ালে যে হয়নি কি আর কিছু?
হয়নি কি ঐ সারা গাঁয়ে মোদের দুজন নিয়ে
নানা কথা সারকথা তার- সব কি মিথ্যা দিয়ে?
আসল কথা ঐ কথাতে টিউশনিতে আমি
মনটা দিবো মন মানেনি তাইতো গেলাম থামি।
হায়রে পুরুষ এমনি করে যাও যে চলে দূরে
বুঝবে কবে তোমরা বলো নারীর বেদন সুরে?
শূন্য কত লাগে তাদের লাগে ব্যথা কত?
কেমন করে ঘর করে ফের- কষ্ট নিয়ে শত!
নিয়ে কত দুঃখ জ্বালা মেশে সবার সনে
কেউকি জানে কাঁদে কত রাতের নিরজনে?
যাহোক শোনো ভুলতো আছে জীবন পথে পাছে
চাইছি ক্ষমা তাইতো আজি ঠিক তোমারি কাছে।
কী যে বলো তুমিও দেখি আগের মতো আছো
নয় তব দোষ আমার কাছে- তুমি বহু বাঁচো।
বেঁচে থাকো বেশি তুমি- এইতো আমার আশা
আশা মাবুদ পাপী দ্বয়ে ঝরাও ভালবাসা।
রাখো ঢেকে সেই সময়ের পাপ যা আছে জমা
পাপের ভারে নত মোরা দাও করে সব ক্ষমা।
তুমি যদি দাও ফেরায়ে- বৃথা জীবন মানে
দাও ফেরায়ে শান্তি আজি তোমার ক্ষমা দানে।