জীবন থেকে!
পাওয়া না-পাওয়ার হাপিত্যেশ, পূর্নতা অপুর্নতার ডুবসাঁতার, সব কিছু ছাঁপিয়ে সময় চলে তার আপন খেয়ালে।
ছোট্ট একটা জীবন যেন সুতো ছেঁড়া ঘুড়ি!
যেন কুয়াশা আর আলোর প্রহেলিকা, সূর্যের চোখ খুলেই জানায় গোধূলিকে আমন্ত্রণ!
তারপর গোধূলির কাব্য শেষে, সন্ধ্যা নামে, আবার রাতের কাছে আত্মসমর্পণ!
অথচ কতো আশা ছিল!
একটা জীবন তুলে রাখবো শুধু তোমার জন্য।
কিন্তু এখনো দেখাই হলোনা তোমায় !
তোমার চোখে চোখ রেখে অনুভব করা হলোনা সুদর্শন সময়ের ঘ্রাণ !
হাতে হাত রেখে প্রতিশ্রুতি গুলো, শব্দের মৌনতা ভেদ করে, কন্ঠে ধারণ করা হলোনা।
হুড খোলা রিকশা চড়ে শহর দেখা হলোনা।
পাখিদের নীড়ে ফেরার দৃশ্য দেখা হলোনা।
সমুদ্র সৈকতে দাঁড়িয়ে সূর্যাস্ত দেখা হলোনা!
জীবন খাতায় কতো অপ্রাপ্তি,কতো শুন্যতা !
জীবন এতো ছোট্ট কেন?
কি পেয়েছি তার হিসেব কষবো না আর।
আজকাল পিছু ফিরে তাকাতে ইচ্ছে করে না।
অতীত আমাক ছুঁয়ো না, আমি কষ্টের
স্মৃতি চিহ্ন আঁকড়ে আছি অনুক্ষণ।
নতুন ছোট্ট একটা জীবন চাই।
নতুন করে লিখবো পুর্নতার কাব্য।
তোমকে ছুঁয়ে দেখার তৃষ্ণা আছে বুকে!
ব্যাকুল হৃদয় থমকে দাঁড়াতে চায়না।
তবুও সময় কেন চলে যায়?
তোমার সঙ্গে ভীষণ রকম গল্প করতে চাচ্ছি,এই জীবনে বুঝি খেয়াতরী ভীরবেনা আর!
কারনে অকারণে কপালের চুল গুলো সরিয়ে দিবে, ছুঁয়ে যাবে তোমার আঙুল,
হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়বো!
ভেজা মানচিত্রের শরীর ছুঁয়ে যায়,
ব্যাকুল চিত্ত, অযাচিত আলাপন,
আরও নিবিড় সান্নিধ্য!
যদি জীবন টা প্রথম প্রকাশিত বই এর মলাটে নতুন করে বাঁধাই করা যেতো?
তা হলে!
কেমন হয়?
জীবন যেন ছোট্ট বৃত্ত!
কোন রমনীর কপালের সিঁদুর ফোঁটা।
সূর্য উঁকি দেয়ার আগেই ঝরে যায় শিউলি।
শিউলি যেন ভোরের আলো ভয় পায়!
শিউলি জীবন আমার।
রেখা