কখনও শব্দের মিছিলে যোগ দিতে পারাবো না?
মিষ্টি রোদের মত বাক্যের সুরেলা ছন্দে হাসতে পারবো না?
আমার ছলছল চোখ আজীবন অশ্রুর জলাবদ্ধতা নিয়ে পাড় করবে
জীবন!
নদীর মতো তিরতির করে বয়ে যাবেনা?
নিষিদ্ধ দেয়াল হয়ে মনের বাইরে ছিলাম ভেতরে যাবার অনুমতি পাইনি।
অথচ দীর্ঘ প্রাচীর ডিঙিয়ে পৌছুতে চাই তোমার মনের করিডোরে।
বলেছিলে ভালোবাসবে আজীবনই।
পাশে থাকবে অহর্নিশ!
প্রবেশ পথ বন্ধ করে কারো পাশে থাকা যায়?
হৃদয়ের জানালা খুলে দখিনা হাওয়ার আঁচল উড়িয়ে কাছে ডাকলে না।
নিরবধি অদৃশ্য উপকথা মৃত্যুর আলিঙ্গনে পিষে মারতে চাও!
প্রতিশ্রুতি গুলো শব্দের ব্যবহার পাচ্ছে না।
পাচ্ছে না অধিকার!
এ কেমন লুকোচুরি তোমার?
হাতছানি দিয়ে ডাকো!
অথচ নিরব অভিমানে নিষিদ্ধ বর্ণমালা নীল আকাশে ভাসতে ভাসতে অববাহিকার কার্নিশ ছুঁয়ে যায়!
কখনো সাদা মেঘগুলো নীল মেঘের সাথে মিশে না।
তোমার চোখ থেকে নিয়েছে বিদায়
আমার বর্ণমালা।
নীল মেঘের অভিমান এড়িয়ে সাদা মেঘের লুকোচুরি খেলা কি চলতেই থাকবে?
তাহলে তোমায় পাবার তৃষ্ণা নিয়ে বেঁচে রইবো চিরকাল।
তুমি নিষিদ্ধ এলাকা চিহ্নিত করে এঁকে দাও সীমানা!
আমার মানচিত্র বিক্রি করবো না।
আমার পতাকা উত্তোলন করে দেবো
নিজস্ব আঙিনায়।
পতপত করে উড়বে!
ঘনিষ্ঠ আঙুল তুলে মোনাজাতে কেঁদে কেঁদে অশ্রুর বানে ভাসাবো বিধাতার মঞ্চ।
তবুও কখনও কারো কৃপানিধি হবোনা।
হবোনা পাথর হৃদপিণ্ডের অনাকাঙ্খিত ফলাফল।
রেখা