সুন্দরের পূজারী আমি;
বছরের পর বছর ধরে
ঠায় দাঁড়িয়ে আছি;
সহস্র রজনী জেগে আছি শুধু তোমাকে দেখার নেশায়।
তুমি অমাবশ্যাতে হারিয়ে যাও, তলিয়ে যাও তিমির গহ্বরে,
আবার স্বীয়শক্তি বলে ঠিকই ভেদ করে উঠো পূর্ণিমা তিথিতে।
তুমি জানো না,
পূর্ণিমায় ভরা যৌবনে তোমাকে দেখে আমি পাগল হয়ে যাই।
হ্যাঁ, পাগল! বলতে পারো নেশাগ্রস্ত মাতাল।
তোমার রূপের কথা যদি তুমি জানতে;
একটিবার বুঝতে, তোমার রূপে আমি কতোটা পাগল,
তাহলে ঠিকই বসুধায় নেমে আসতে, ধরা দিতে আমায়।
তুমি সুন্দর,
তাইতো তোমার অহংকার,
প্রতিটি রাতে তোমার ঢেলে দেওয়া জোছনায় স্নান করে খাঁটি প্রেমিক বনে যাই আমি।
এভাবে আরো সহস্র বছর কাটুক,
আমার কালো চুলে সাদা পাক ধরুক, চামড়াগুলো কু্ঁচকে যাক, ইস্ত্রি বিহীন কাপড়ের ন্যায় ভাঁজ হয়ে যাক।
আমার বিশ্বাস, তবুও তুমি আমায় ভালোবাসবে।
কলঙ্কের ভয় মাড়িয়ে এই নশ্বর পৃথিবীতে তুমি একদিন নেমে আসবে।
আমার দু’ হাতে তোমায় স্পর্শ করবো, ছুঁয়ে ছুঁয়ে তোমার অবয়ব বুঝবো।
চুম্বনে চুম্বনে তোমার ঠোঁট দু’টো গোলাপ পাপড়ির ন্যায় মেলে যাবে,
ঝরে যাবে তোমার লজ্জা।
তোমার আমার আলিঙ্গনে প্রেম হয়ে উঠবে স্বর্গীয়।
১২/০৭/২২