পৌষের শেষে জেঁকে বসে শীত,
প্রভাতে কনকনে শীতে কেহ গায় গীত।
কেহ পায়চারী করে কুয়াসাঘেরা ভোরবেলা,
প্রত্যুসে চাষিভাই করেচাষ,কাজে নেই হেলা।
গৃহ আঙ্গিনায় বসে কেহ’বা ধূমায়িত চা’য়ে দেয়’মুখ,
সকালের কনকনে শীতে তারা খুঁজে পায় সুখ।
প্রভাতে রাখাল ধেনু লয়ে ছুটে যায় সবুজ মাঠে,
কনকনে শীতে পল্লীবধূ কলসি নিয়ে যায় ঘাটে।
গাছি ভাই খেজুরের রসের হাড়ি নিয়ে যায় হাটে,
মাঝিভাই অতি’ভোরে নৌকা বাঁধে নদীর ঘাটে।
শ্রমজীবি মানুষেরা দলে দলে ছুটে চলে কনকনে শীতে,
কুহেলিকা,হিমেল হাওয়া বাঁধা হয় তাদের চলার পথে।
গাঁয়ের ছেলেমেয়েরা প্রত্যুসে উঠে যায় পাঠশালায়,
কনকনে শীতে কেহবা আরামে ঘুমায় শুয়ে বিছানায়।
কুসুম’বাগে রাতে ফোটা ফুলগুলো দ্রুত ঝরে যায়,
কেয়া,হাসনাহেনা রজনী গন্ধা প্রভাতে সুবাস ছড়ায়।
————–০———-তাং০৮/০১/২৪ইং