মন চাই স্বাধীনতার সুখ
হারিয়ে ফেলতে চাই জীবনে আছে যতো দুঃখ,
মৌমাছি হয়ে দেখতে চাই সকল ফুলের মুখ
মধু গ্রহণ করতে হবে পেতে প্রশান্তির সুখ।
কে বন্ধু হলো বা কে বন্ধু হলো না
তাতে কিছু তো আসে যায় না,
মন কে তার ইচ্ছে পূরণে কে করবে মানা
তার যখন গজিয়েছে নতুনত্বের ডানা।
কেউ কেউ জাগো নারী জাগো এইবার
শালীনতা ভুলে যা-ও তোমারও তো মৌমাছির দরকার,
পর্দা নামক খোলস ছেড়ে বের হয় একবার
সমাজে এখন চলছে নগ্নতার কাজ কারবার।
পুরুষ যদি ভোমর হয়ে খেতে পারে মধু
পর্দার আড়ালে কেমন করে থাকি হয়ে সাধু,
শ্বশুর হয়ে ছাড় হোকনা কেনো পুত্রবধূ
লোক চক্ষুর অন্তরালে ভোগ করছে যা বেদনাবিধু।
তারাই যদি হয় সমাজ বা জাতির নেতা
আমরা তো তাদের কে জড়িয়ে রাখার লতা,
আর কতকাল নিচু করে থাকবে মাথা
আলোক লতি পরগাছা হয়েও লুকিয়ে রাখে পাতা।
তা-ই তো সমাজের চাই আমূল পরিবর্তন
খোলস খুলে বেরিয়ে এসো নারী তুমি যখন,
সবসময় পুরুষ সমাজ করছে আমাদের ভক্ষণ
আর কতকাল নিজেকে করবে সংরক্ষণ।
বাদ দাও ধর্মের দোহাই
কি করছে ধর্ম দেবর-শ্বশুর ভক্ষণ করছে তোমায়,
শালীনতা এখন শুধু নীতি কথায় মানায়
পুরুষ শাসিত সমাজ তাদের মতো নিয়ম বানাই।
আমরা নারী…
আর লজ্জা করে কি করি,
তা-ই তো অর্ধনগ্ন ভাবে এখন রাস্তায় ঘুরি
এসো এবং জাগো পোশাক খুলে সমাজে চলতে পারি।
সমাজপতিরা যখন বানায় আমাদের মক্ষীরানি
কৌশলে আর গোপনে গ্রহণ করে যাচ্ছে যৌবনের পানি,
ধরা খেলেই আমাদের নিয়েই করে টানাটানি
আর কতদিন বয়ে বেড়াতে হবে এ-ই গ্লানি।
তা-ই জাগো নারী বেরিয়ে এসো পর্দা খুলি
বন্ধ করি মুখোশ ধারীদের বুলি,
যারা আলোই কথা বলে আর খুঁজে অন্ধকার গলি
আমরা নারী হয়েও এখন থেকে এসো সেই পথে চলি।
এসো আমরা নারী সমাজ করি পথ পরিবর্তন
অন্যায় অত্যাচার আর যতো আছে নিপিড়ন,
জাগো নারী সমাজ থেকে করতে নিধন
সমাজ কে দেখাতে কেমনে থাকবে অটুট বন্ধন।