যে তুমি নবীর মিরাজকে বিশ্বাস করো না
সে তুমি কি করে মেঘকে মুঠোবন্দী করার স্বপ্ন দেখো।
যে না দেখে, বিশ্বাস করে বাতাসকে বন্দী করা যায়, সে কি উর্ধগমনকে অস্বীকার করতে পারে? সে কি কোনদিন বাউরী বাতাস দেখে নাই? শুকনো পাতা, খড়কুটো কি করে আকাশে ঘুরে বেড়ায়?
কতিপয় অর্বাচীনের প্রলাপকে মানুষ কেন বিশ্বাস করবে? নিজের নাসারন্ধ্র্রের নিয়ন্ত্রণ যার হাতে নেই সে বড় বড় কথা কেন বলে? হায়রে উন্মাদ, তুই কি পাগলই থেকে যাবি?
কবে তুই বুঝতে শিখবি?
কোরআনের পাতার প্রতিটি অক্ষর সত্য। তুই অবুঝ বলেই কি তা মিথ্যা হয়ে যাবে? সুঘ্রাণকে কবে কে দেখেছে? তবু জীবনকে আমোদিত করে সামান্য বেলীফুল। বকুলের ঘ্রাণকে অস্বীকার করা মানে সত্যকে অস্বীকার করা। কিন্তু ফুল ঘ্রাণ বিলাবেই। সত্য ও সুন্দর হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যাবে কেয়ামত পর্যন্ত।
জল নিচের দিকে গড়িয়েই যাবে। এটাই তার ধর্ম। ধর্মকে অস্বীকার করে লাভ নেই। প্রতিটি বস্তু স্বধর্ম পালন করে।
তুমি শয়তানকে থামাতে পারো না, এ ব্যর্থতা তোমার। এ দায় তুমি অন্যকে দিতে পারো না।
ইস্রাফিলের ধ্বনি বলে দেবে তুমি জ্ঞানী, না মুর্খ। শিংগার ধ্বনি পর্যন্ত অপেক্ষা করো। তথাকথিত জ্ঞানী মানেই একেকটা নির্ভেজাল শয়তান। ইবলিস যার নাম।
১৭/১/২৪। বাদ মাগরিব।