ওরা কি মানুষকে অত্যাচার করে?
ওরা কি জুলুম নির্যাতনের কথা বলে?
ওরা কি মিথ্যার প্রশিক্ষণ দেয়?
সুদ ঘুষের পক্ষে কি কথা বলে ওরা?
নারী নির্যাতন ধর্ষণের কথা বলে ওরা?
ওরা কি হিংসা বিদ্বেষ অহংকারের কথা বলে?
ওরা অন্যের অধিকার ক্ষুণ্যের কথা বলে?
ওরা কি প্রতারণা কালোবাজারি হত্যার কথা বলে?
ওরা বিভেদ অশান্তির কথা বলে?
তবে ওরা কি বলে?
ওরা বলে একতার কথা শান্তির কথা।
ওরা বলে সত্যবাদিতার কথা সৎ জীবনের কথা।
ওরা বলে পরোপকার পরস্পর সহযেগীতার কথা।
ওরা বলে মহাবিশ্বের এক সৃষ্টিকর্তার মহানত্বের কথা।
ওরা বলে জগৎ পিতার প্রেরিত মানুষের জীবন বিধান আল কোরআনের কথা।
ওরা বলে দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মানব মানব জাতীর শিক্ষকের কথা।
ওরা বলে জীবনের কথা মরনের কথা।
মরন পরে অসীম জীবনের কথা।
প্রত্যেক মানুষের কাঙ্খিত স্বপ্ন বেহেশতের কথা বলে ওরা।
চির অভিশপ্ত চরম শাস্তিময় জাহান্নামের কথা বলে ওরা।
মানুষের চির অদৃশ্য শত্রু শয়তানের কথা বলে ওরা।
অশ্লিলতা নির্লজ্জতা বেহায়াপনা নগ্নতা থেকে বেঁচে থাকার কথা বলে ওরা।
ওরা নরীর সন্মান অধিকারের কথা বলে।
ওরা বলে দুনিয়ার চরম অন্ধকার অশান্ত যুগ থেকে মানব জাতি কিভাবে কার নেতৃত্বে আলোর পথ দেখেছিলো সে কথা।
ওরা এসব কথা বলে করণ——-
ওরা এসকল বিষয়ে ব্যাপক পড়াশুনা বিস্তর জ্ঞান অর্জন করে থাকে।
ওদের অনেকের মহাগ্রন্থ আল কোরআন মুখস্থ, সুবহানআল্লাহ।
মহানবীর অসংখ্য বাণী হাদিস ওদের নখদর্পণে।
তাই ওদের পূর্ণ অধিকার এবং যোগ্যতা রয়েছে এসব বিষয়ে বিস্তারিত বলার।
ওদের এসব কথা বক্তৃতায় কারো করো গাত্র দাহ হয়, বোধগম্য নয়।
এ ভূমি এ জগৎ এ আকাশ বাতাস চদ্র সূর্য কোন ব্যক্তির মালিকানা নয় এক আল্লাহ ছাড়া। ওরা এসব কথা বলে।
ওদের যে ম্যাসেজ বা বক্তব্য তা যদি সর্বত্র চালু হয় মানা হয় তবে মানব জাতির সকল সমস্যার সমাধান হয়।
যেমন হয়েছিলো প্রিয় নবী শ্রেষ্ঠ রাসুল মানবতার মুক্তির দূত হযরত মোহান্মদ সাঃ এর সময়।
এরাইতো তো রাসুল সাঃ এর প্রকৃত ওয়ারিশ দুনিয়ার আলো।
ওদের প্রতি যথার্থ সন্মান এবং শ্রদ্ধা প্রদর্শন করা সকলের কর্তব্য।