সন্ধেবেলা জংলা পনার মনোহর রূপ,
নিত্যই হৃদয় কেড়ে নেয় নানান রূপে,
শোভাশ সুন্দর বিভাসিত পৃথিবীর রূপে,
আকুল ভাবনায় দোল খেলে বিবেক তুপে ।
আঁধার রাতে বনঝোপ ঘিরে জোনাকির খেলা,
আকাশ ঘিরে রোজ নক্ষত্রতারার মেলা,
দূর আকাশে চাঁদের সঙ্গে মেঘে রোজ খেলে,
হেলে দোলে বাতাসের সঙ্গে গাছ লতার খেলা ।
পাগল হাড়া নিত্য দেখি চোখ মেলে,
কেউতো দেয়না বাধা কেউ কারো খেলা,
কার ইশারাই তাহারা নিয়মিত নিত্যই খেলে
দেখতে কি পাও বসুধা জগৎ মালিকের খেলা ।
আধার রাতেও কারুকাজের জলতরঙ্গের সুর,
জংলাপনার প্রণেতে শিয়াল বাউলের সুর,
বাদূর পাখির রাতজোরে উল্লসিত সুরে ,
মাঝ রাতে উকিলের সঙ্গিত মধুর।
আত্মহারা হয়ে প্রেমে পড়েছি,
উদাস মনে তুমি কী ভাবছো,
রঙিন ছবি দেখে সহজে পেয়েছি,
ভূ সাধন বিশাল রূপে সঙ্গিতে বলেছে ।
শুষ্ক আকুল ভাবনয় রূপের মালিক তিনি,
সমস্ত গৃহবাস সাজিয়েছন জিনি,
এমন মোহিনী মনোহরণ রূপ মালিক একজন,
দিনে সূর্য রাতে চন্দ্র নক্ষত্র দিয়েছেন জিনি।
তাহাকে খুঁজি রূপের ঝলকে দুনিয়ার মাঝে,
খুঁজে পাই তাহকে তাহার সৃষ্টির মাঝে ।
কখনো বৃষ্টি কখনো বা চন্দ্র সূর্যের হাসি,
কখনো শিতল হাওয়া কখনো পখর খরা খসে ।
জগৎ ধরণী চোখের খেলার ঘরের,
তিনি একক -একমাত্র মালিক মহাজগতের ,
তাহার ইশারাই নিয়মিত নিত্য খেলে তাহারা,
মহৎ ধরণী চোখের খেলার ঘর তাহার ।ধরণী চোখের খেলার ঘর
শেখ মোঃ নূরুল ইসলাম
========
সন্ধেবেলা জংলা পনার মনোহর রূপ,
নিত্যই হৃদয় কেড়ে নেয় নানান রূপে,
শোভাশ সুন্দর বিভাসিত পৃথিবীর রূপে,
আকুল ভাবনায় দোল খেলে বিবেক তুপে ।
আঁধার রাতে বনঝোপ ঘিরে জোনাকির খেলা,
আকাশ ঘিরে রোজ নক্ষত্রতারার মেলা,
দূর আকাশে চাঁদের সঙ্গে মেঘে রোজ খেলে,
হেলে দোলে বাতাসের সঙ্গে গাছ লতার খেলা ।
পাগল হাড়া নিত্য দেখি চোখ মেলে,
কেউতো দেয়না বাধা কেউ কারো খেলা,
কার ইশারাই তাহারা নিয়মিত নিত্যই খেলে
দেখতে কি পাও বসুধা জগৎ মালিকের খেলা ।
আধার রাতেও কারুকাজের জলতরঙ্গের সুর,
জংলাপনার প্রণেতে শিয়াল বাউলের সুর,
বাদূর পাখির রাতজোরে উল্লসিত সুরে ,
মাঝ রাতে উকিলের সঙ্গিত মধুর।
আত্মহারা হয়ে প্রেমে পড়েছি,
উদাস মনে তুমি কী ভাবছো,
রঙিন ছবি দেখে সহজে পেয়েছি,
ভূ সাধন বিশাল রূপে সঙ্গিতে বলেছে ।
শুষ্ক আকুল ভাবনয় রূপের মালিক তিনি,
সমস্ত গৃহবাস সাজিয়েছন জিনি,
এমন মোহিনী মনোহরণ রূপ মালিক একজন,
দিনে সূর্য রাতে চন্দ্র নক্ষত্র দিয়েছেন জিনি।
তাহাকে খুঁজি রূপের ঝলকে দুনিয়ার মাঝে,
খুঁজে পাই তাহকে তাহার সৃষ্টির মাঝে ।
কখনো বৃষ্টি কখনো বা চন্দ্র সূর্যের হাসি,
কখনো শিতল হাওয়া কখনো পখর খরা খসে ।
জগৎ ধরণী চোখের খেলার ঘরের,
তিনি একক -একমাত্র মালিক মহাজগতের ,
তাহার ইশারাই নিয়মিত নিত্য খেলে তাহারা,
মহৎ ধরণী চোখের খেলার ঘর তাহার ।ধরণী চোখের খেলার ঘর
শেখ মোঃ নূরুল ইসলাম
========
সন্ধেবেলা জংলা পনার মনোহর রূপ,
নিত্যই হৃদয় কেড়ে নেয় নানান রূপে,
শোভাশ সুন্দর বিভাসিত পৃথিবীর রূপে,
আকুল ভাবনায় দোল খেলে বিবেক তুপে ।
আঁধার রাতে বনঝোপ ঘিরে জোনাকির খেলা,
আকাশ ঘিরে রোজ নক্ষত্রতারার মেলা,
দূর আকাশে চাঁদের সঙ্গে মেঘে রোজ খেলে,
হেলে দোলে বাতাসের সঙ্গে গাছ লতার খেলা ।
পাগল হাড়া নিত্য দেখি চোখ মেলে,
কেউতো দেয়না বাধা কেউ কারো খেলা,
কার ইশারাই তাহারা নিয়মিত নিত্যই খেলে
দেখতে কি পাও বসুধা জগৎ মালিকের খেলা ।
আধার রাতেও কারুকাজের জলতরঙ্গের সুর,
জংলাপনার প্রণেতে শিয়াল বাউলের সুর,
বাদূর পাখির রাতজোরে উল্লসিত সুরে ,
মাঝ রাতে উকিলের সঙ্গিত মধুর।
আত্মহারা হয়ে প্রেমে পড়েছি,
উদাস মনে তুমি কী ভাবছো,
রঙিন ছবি দেখে সহজে পেয়েছি,
ভূ সাধন বিশাল রূপে সঙ্গিতে বলেছে ।
শুষ্ক আকুল ভাবনয় রূপের মালিক তিনি,
সমস্ত গৃহবাস সাজিয়েছন জিনি,
এমন মোহিনী মনোহরণ রূপ মালিক একজন,
দিনে সূর্য রাতে চন্দ্র নক্ষত্র দিয়েছেন জিনি।
তাহাকে খুঁজি রূপের ঝলকে দুনিয়ার মাঝে,
খুঁজে পাই তাহকে তাহার সৃষ্টির মাঝে ।
কখনো বৃষ্টি কখনো বা চন্দ্র সূর্যের হাসি,
কখনো শিতল হাওয়া কখনো পখর খরা খসে ।
জগৎ ধরণী চোখের খেলার ঘরের,
তিনি একক -একমাত্র মালিক মহাজগতের ,
তাহার ইশারাই নিয়মিত নিত্য খেলে তাহারা,
মহৎ ধরণী চোখের খেলার ঘর তাহার ।