আমার কোনো বাড়ি নেই নেই কোনো নারী,
নারী তোমার রক্তের স্পন্দনে আমার স্বপ্ন;
কেনো আমার সাথে স্বপ্নের মাঝে দেও আড়ি
এই পথ আমার নয় যে পথে ধূসর ক্লান্তিময়।
এই পথ আমার নয় যে পথে নারীর হৃদয় নদীর মতো ঢেউ ভাঙ্গে,
আমার কোনো পথ নেই নেই কোনো নারী;
নারী মানে পথের দিশা পথ হারা পথিকের ,
আমি কতবার চেয়েছি তোমায় বঁধু বেশে।
নারী তোমার সবুজ শস্য ক্ষেতে ফসল ফলাতে চেয়েছি;
আমি জানি নারী কোনো দিন আমার ছিলো না,
প্রেম মাতাল সঙ্গিনীর দিকে চেয়ে, না নেই কোনো প্রিয়তমা কিংবা নারী ;
প্রিয়তমা ব্যথায় ব্যথিত অনেক কেঁদেছি ঘুমের ঘোরে।
তুমি কোন অতলান্তে ডুবে যাও শূন্যতার গভীরে ,
হে আমার চন্দ্রমুখী তোমার শরীর তোমার বলয়ে ঢাকে;
কোনো দিন জাগবে না তুমি অগ্নিপরিধির বুকে,
দেখেছি আমি তোমার বৈতরণী ভাঙ্গে কীর্তিনাশায় হৃদয়ের দু’কূলে।
হে প্রিয়তমা তোমার কোথায় সাধ জাগে চলে যাও;
কোথায় যাও হে আমার বঁধু যতদিন বাঁচি ভালোবেসে যাবো,
কে করবে সংসার জীবন প্রেমের অমৃত রসে;
কার জন্য জ্বলি অনলে পুড়ে পুড়ে ,সেকি নারী হৃদি তারে!!
এভাবে কি দিন যাবে দূর কুয়াশায় নক্ষত্রের রাতে?
কেন তুমি বসন্ত ডেকে আনো দহনের বাতাসে;
পৃথিবীতে রবে চিরকাল অভিমানী নারী রহস্য গভীরে,
আজ করুণা করো এই বসন্ত বেলায় তোমার মোহনীয় সঙ্গমে।
প্রেমের মদিরা যখন ঝরে পড়ে চন্দ্রিমার বলয় গ্রাসে,
তব ভিক্ষা দাও এ মিনতি মোর পুষ্প কাননে;
নত করি শির সাংসারের মায়া মোহে আমার খেলার সাথি ওগো তুমি,
আর কতদিন কত কাল রবে পথ চেয়ে তোমার মুখপানে।
যদি আমি ঝরে যাই পত্র ঝরা বৃক্ষের মত তবুও বসন্ত আসে;
খুঁজে না কেউ মিছে মায়া মিথ্যের অহমিকায়।
কতদিন তুমি আমি বসে গাঙ্গুর নদীর ঘাটে ,
কত ঢেউ ছিল নদী তোমার গিয়েছো তুমি কোন পরবাসে।।