ভুইলাই গেছো প্রিয়া
নাকি ভুলতেই ভুইলা গেছো?
আমারে দেহাইবার লাইগ্যা পায়ে আলতা
হাতে মিন্দি লাল পাইড়া নীল শাড়ি গাঢ় লিপস্টিক,
তেমন কইরা এখনো কি সাজো প্রিয়া ভালোবাসার
গোলাপ রঙে? আকূত প্রাণে এক নজর দেখবার লাইগ্যা,
পরন্ত বেলায় পুরানো দীঘির পাড়ে কৃষ্ণচূড়ার নিচে,
দাড়াইয়া থাকতে অধীর আগ্রহে তোমার ওই,
আকর্ষিত ঠোঁটের মিষ্টি হাসি এখনো-
আমার অগ্নিতৃষ্ণা চোখে ফুল ফুটায়।
হৃদয়ের সবটুকু ব্যথা বিরহ অথৈ সাগরে ভাসাইয়া দিতাম
আরেকবার যদি আরেক-বার ধরায় তোমারে পাইতাম!
সৌর তারার ছাউনি তলে,
দুইজনে নতুন কইরা ভালোবাসার
ঘর বানাইতাম সুখ সমুদ্রে ডুইবা থাকতাম,
ব্যাহাইয়া উম্মেদনা নির্বোধ নির্লজ্জ নিকৃষ্ট পশুর মতো
তোমার অন্তর উগলানো ভালোবাসা প্রত্যাখ্যান করছি,
বইলা তো আজ ভালোবাসার অভিশাপ অনলে জ্বলছি।
বিদায়ী বিদ্বেষ একখান চিঠি লেইক্ষা শেক্সপিয়ারের-
অমোঘ বাণী ইথারে ইথারে ভাসাইয়া চইলা গেলা!
নীরব নিথর পাষাণ দেবীর মতো, আর আমি-
মহাশূন্যের শূন্যতা বুকে লইয়া সন্ন্যাসী
দিগন্তে ভালোবাসার কাঙাল সাইজা,
“পিথাগোরাসের”- উপপাদ্য
মিলাইতে বৃথা বিভোর!