ভোরের হাওয়া সুর তুলেছে রোদ দিয়েছে উঁকি
চিক চিক চিক গান ধরেছে চপল টুনির খুকি
জানলা গলে নামলো এসে সূর্যমূখী রোদ
বসন্তেরই হাওয়ার সাথে রোদের কী আমোদ !
মিষ্টি মধুর এমন দিনে
মা তোমাকে ডাকছি
তুমি কি মা রোদের আলো?
রোদকে গায়ে মাখছি ।
ব্যালকনিতে ফুলের টবে ছোট্ট ফড়িং মেয়ে
বুকপকেটে ঢালছে মধু বেসুরো গান গেয়ে
রঙিন ঠোঁটে নামলো এসে প্রজাপতির ছানা
ফুল হয়ে যায় মা কি তবে? মা মেলে দেয় ডানা
মা যদি হয় ফুলের মতো
মা তোমাকে ডাকছি
ফুলের আদর ,ফুলের সোহাগ
নরোম গালে মাখছি।
কাটতে চায় না অলস দুপুর খাঁ খাঁ ধূসর মাঠ
ঘুমিয়ে গেছে জলের মেয়ে শান্ত দীঘির ঘাট
আকাশবুকে দিচ্ছে উঁকি টুকরো মেঘের ঝুড়ি
পাখির পালক গায় জড়িয়ে হলাম রঙিন ঘুড়ি।
মা যদি হয় মেঘের মতো,
মা তোমাকে ডাকছি
পাহাড়ি ফুল হয়ে আমি
মেঘকে গায়ে মাখছি।
নিভে গেলে সূর্য প্রদীপ সাঁঝের বাতি জ্বলে
উঠোন মাঝে জ্যোৎস্না রাণী মোমের মতো গলে
জোনাক মেয়ে খুশির তোড়ে আগুনদানা জ্বালে
চাঁদ হয়ে যায় মা জননি জ্যোৎস্না সুধা ঢালে।
মা যদি হয় চাঁদের মতো ,
মা তোমাকে ডাকছি
নিঝুম রাতে জোছনাধারা
এই দু’ গালে মাখছি।
রাত হয়ে যায় নিরব নিঝুম ঘুম নামে না চোখে
মা তোমাকে চাই পেতে চাই আমার স্বপ্নলোকে
তুমি এখন দূরের পাখি আসমানি ফুল চাঁদ
পাই যদি মা তোমায় আবার ভাঙবে খুশির বাঁধ।
মা যদি হও নীল জোছনা,
মা তোমাকে ডাকছি
হাতের মুঠোয় চাঁদ কুড়িয়ে
নরোম গালে মাখছি।