আবার কেন দেখা হলো?
আমিতো সুখেই ছিলাম,
আমি তো ভালো’ই ছিলাম।
তোমা বিহনে,
নতুন করে অন্যকোনো জনে
নীড় বেঁধে নির্জনে।।
তুমি অকারণে মনের সুখে,
আমায় ফেলে;
কোথায় চলে গেলে–?
কেউ বলে নি,
আর কেই’বা বলবে?
তোমার আমার পথচলা
একান্ত একেলা,
অন্য কেউ ছিলো না।
শুধু তুমি আর আমি,,
এক পাথর দৃষ্টি ছিলো
একান্ত আপন মনে।।
নয়নে নয়ন ফেলে
ভালোবাসার দোলনায়
প্রেমের মূর্ছনায়,
তুমি আমি দুলেছি মহানন্দে।
সেদিন প্রেম বুঝিনি,
ভালোবাসা শিখিনি;
শুধুই ভালোলাগা!
তাতেই লেগেছে হৃদে
তোমায় আপন করে পেতে
অজানা যাদুর টানে।।
তুমি আমি সমবয়সী ,
হয়তো তোমারও একটা;
অবুঝ মন ছিলো।
বাঁধ ভাঙ্গা স্রোতের মতো,
আমার পিছু ছুটে চলেছো।
দ্বিধাহীন চিত্তে নির্ভয়ে,
পাশাপাশি হেঁটেছো;
কতো অলস সময় কাটায়েছ।
হাজারো কথার ফুলঝুরি,
স্বপ্নের স্বর্গভূমিতে বিচরণ করে;
মহাকাব্য লিখে দিয়েছ।
আমি পথভুলা বে-ভুলা
মনের অজান্তে হাত ধরে,
কতোটা পথ পারি দিয়ে ;
নীড়ে পৌঁছাতে চেয়েছি।
সে কি ভুল ছিলো তোমারই শনে।।
যেদিন তুমি ঝড়েপড়া ডানা ভাঙ্গা
আহত পাখির মতো ছুঁড়ে ফেলেছো।
সেদিন জ্ঞান ফিরে দেখি,
কোন এক পথিকের সাজানো
খাঁচায় বেশ যত্নে আছি,
হয়ে তার আদরের পাখি!
অনেক কষ্ট অনেক বেদনা
সয়ে সয়ে মনের পঙ্গুত্ব
আমি দূর করতে চেয়ে’ছি!
অমাবস্যা পূর্ণিমায় দারুণ বাকরুদ্ধ,
বোবাকান্না করি হৃদয়ে রক্তক্ষরণে।।
জীবনের পিচ্ছিল ভঙ্গুর পথে
এতোকাল পরে হঠাৎ করে
কোথা থেকে সামনে দাড়ালে ?
তেমার আমার এ জীবনে,
দেখা না হলে’ই ভালো হতো।
না দেখার অসুখ ধরে
মরণ হলেই ভালো হতো
পাপ আার অভিশপ্ত জীবনে।।
সেই ভালো ছিলো।
হুহ্ হুহ্ হুহ্ — হুহ্ হুহ্
সেই ভালো ছিলো!
হুহ্ হুহ্ হুহ্ —-হুহ্ হুহ্ –হুহ
আবার কেনো দেখা হলো ???
বনশ্রী, ঢাকা।
২৪/৫/২০২৪
পুনঃমুদ্রিত।