কবিগুরু রবি ঠাকুর বাঙালি এক কবি, হদয় মাঝে এঁকেছিলেন দুই বাংলারই ছবি। দুই বাংলাকে ভালোবেসে লিখেছেন মধুর গান, যতোই শুনি কাছে টানে মন করে আনচান। লিখেছেন কতো গল্প কবিতা শিশু
কবিগুরু রবি ঠাকুর বাঙালি এক কবি, হদয় মাঝে এঁকেছিলেন দুই বাংলারই ছবি। দুই বাংলাকে ভালোবেসে লিখেছেন মধুর গান, যতোই শুনি কাছে টানে মন করে আনচান। লিখেছেন কতো গল্প কবিতা শিশু
এক সময় খুব বদমাইশ হয়ে দেখেছি_ লোকজন ভয়ে সামনে সালাম দেয়, আবার পিছন থেকে গালিও দেয়। ধোয়া তুলসী পাতা হয়ে দেখেছি_ শীলপাটায় পিষে শুধুই রস টুকু নেয়, প্রয়োজন শেষে ছুড়ে
আমার জীবদ্দশায় কবিতা কে দেখার পর স্বীকারোক্তি দিলাম। আমি তোমাকে অসম্ভব ভালোবাসি, আই লাভ ইউ, কবিতা! অবশেষে কবিতার কাছ থেকে উত্তর এলো, ইউ আর ননসেন্স! তুমি একটা পাগল! কিছুদিন পর
নয়া বধূ এসেছে আমার ঘরে সংসার আলোয় ঝলমল করে। সকাল-সাঁঝে কাজেকর্মে বধূ আমার আনন্দে হাসে। আমার ঘরের বধূ সে রান্না রেঁধেছ কদু। হাতে আছে তার যাদু খাবার হয় খুব সুস্বাদু।
লাল টিপে সাজে প্রিয়দর্শিনী যেন রাঙা মুখে স্নিগ্ধ আভা। টিপের ছোঁয়ায় রূপ যেন মায়াবতী এক পরি। চুলের খোঁপায় গোলাপ ফুল কপালে লাল টিপ। যেন প্রিয়দর্শিনী হাসে ভুলে যাই সব দুখ।
পথের পদ্মকলি ওরা! ফুটপাতে থাকে রোজ। সমাজ থেকে বঞ্চিত, ওদের টাকা নেই সঞ্চিত। ওরা ঈদ করবে কেমনে? দু’হাত তুলে কাঁদে। ঈদ মানে হাসি গান, সবার মাঝে খুশির বান। মানবতাপ্রেমী আছো
হৃদয়ে আঁকা রূপের দেশ, সবুজ-শ্যামল বাংলাদেশ। বৈচিত্র্যময় ষড়ঋতুর দেশ, আমার সোনার বাংলাদেশ। ফুলের দেশ, ফলের দেশ, আমার সোনার বাংলাদেশ। নদীর দেশ, মাছের দেশ, আমার সোনার বাংলাদেশ। বনের দেশ, পাখির দেশ,
কথায় কথায় রাজপথ উত্তাল, এ দাবি ও দাবি দাবির নাই শেষ। শাহবাগ, যমুনা রাস্তা অবরুদ্ধ তোমরা বোঝনা জনগণ এসবে ক্ষুব্ধ । এত বাড়াবাড়ি এত মারামারি, এত হুড়াহুড়ি দেখে ভাল লাগেনা। আমরা জনগণ
মা বলছে ডেকে,বাবা! লোকমুখে শুনছি_ খবরে কাগজে নাকি তোর নাম কী এমন করেছিস কাম? ভয়ে ভয়ে কাটে দিন, তোকে ধরে নিয়ে যায় যদি কোনদিন কী এমন করেছিস ভুল? বল বাবা