জামাই দাওয়াত দিতে হবে সামনে পৌষ মাস, রুটি পিঠা তৈরি করে সঙ্গে একটি হাঁস। মেজো জামাই খাবে আজ বড় জামাই কাল, ছোট্ট জামাই সঙ্গে করে নিয়ে এলো তাল। শশুর মশাই
শোনো খোকা খুকি সবে বঙ্গ দেশের গল্প, ছন্দ ছড়ায় দেশের কথা জানো অল্প অল্প। পুর্ব পশ্চিম দুই নামেতে ছিল একটা দেশ, স্বার্থ নিয়ে ঝগড়া বাঁধে জটিল হলো রেষ। উনিশ শত
ভারত যদি উল্টো পাল্টা করে একটা শব্দ, নোবেল জয়ী দেশ শাসকের হাতেই হবে জব্দ। বহু বছর দেয় নি জবাব ধরেছি যে ধৈর্য, ঢিল ছুঁড়লে পাট-কেল খাবে করবো নাকো সহ্য। বঙ্গ
বয়স হয়েছে তো, মনের বন্ধ দুয়ার খুলে মাঝে মাঝে স্মৃতিগুলো বেরিয়ে আসতে চায়। আর, পিছনের দিকে হাঁটা আমার বরাবরের অভ্যাস। সে বড় অভাবের দিন। আমার অতি শৈশবকাল। অভাব ছিল, দারিদ্র
দেখেছি খোদার নেয়ামত দেখেছি আরো শান, দেখি নাই কবরের আজাব বিশ্বাসের নাম ঈমান। নিত্য ডাকে কবরখানা আহ্ সত্তুর বার করে, পূন্য ছাড়া কেমন করে থাকবে মাটির ঘরে। কবর চিনে না
চলন্ত ট্রেনে লাফিয়ে উঠে অনিকেত বলল, আজও তোর ক্যালকুলেশন গুবলেট হয়েছে। সুমন বলল, কেন? কি হলো? অনিকেত বলল, আমাদের আগের কামরায় উঠেছে। সুমন বলল, চল্, পরের স্টেশনে ওই কামরায় উঠে
হিমের পরশ মেখে আসে ভোরের আলো, তৃষ্ণার্ত গাঙচিল ডাকে বিষণ্ণ কুয়াশার ভেতর। ধু ধু মাঠে শূন্যতার নিবিড়তা, ছায়ায় ঢাকা পথ, পশ্চিমের আকাশে রক্তিম সূর্য অস্ত যায় যত। ঝরা পাতার মৃদু
শীতল হাওয়ায় কবিতা পাঠের শব্দে ভরা হলঘর। সাহিত্য সম্মাননা অনুষ্ঠানের মঞ্চে আলো ঝলমল করছে। স্নিগ্ধা নীল শাড়িতে ধীরে ধীরে প্রবেশ করতেই এক মুহূর্তের জন্য যেন সময় থমকে দাঁড়াল। নীল শাড়িতে
আর কিছু পরে যাবে এ বছর করে দাও মরে ক্ষমা এবছরে যত পাপ গুলি মোর তোমাদের কাছে জমা জানি তার বহু হয়না যে ক্ষমা শাস্তি না দিলে মোরে আচ্ছা না
ভারত যদি উল্টো পাল্টা করে একটা শব্দ, নোবেল জয়ী দেশ শাসকের হাতেই হবে জব্দ। বহু বছর দেয় নি জবাব ধরেছি যে ধৈর্য, ঢিল ছুঁড়লে পাট-কেল খাবে করবো নাকো সহ্য। বঙ্গ