১৪ বছর পরে আবার সমুদ্র সৈকতে, ঢেউয়ের ঝংকার শুনতে এলাম মধ্য রজনীতে। সঙ্গে ছিল বন্ধু মহল চারজনেরই দল, আনন্দময় সময় কাটে ছিল মনবল। পুরাতন যে নতুন করে প্রেমের সঞ্চলিত, ভালোবাসার
তোমার কাছে হয়তো সেদিনের গল্প তোমার কাটেনা সময়ের মর্মরিত পিছুহটা —–দিনের। ওইসব মোহের রন্ধন ঘুমঘোরে বেহুদা সময়ে নিপাত গেলো। জগৎময় অনিবার্যতায় পালকের স্বপ্নভূমি বিরাণ করে। ঘর জাগানিয়ায় কান পেতে শুনি
হে বিজয় -যখনই তুমি ফিরে আসো আমাদের মাঝে, আকাশে বাতাসে ধ্বনিত হয় তোমার জয়গান, তখনই মনে আসে দীর্ঘশ্বাস। ৭১ এর এই দিনে হয়েছিল সীমাহীন যুদ্ধ। যার কাহিনী শুনলে ——– মোদের
কত মানুষ চলে যাচ্ছে প্রভুর সারা ডাকে! পুণ্য যতটুকু ছিল ক্ষমা দিও তাকে। আমলনামা হাতে করে নিয়ে গেল কত? ভালো কাজ, থাকে যদি হাজার কোটি শত। ভালোবাসার মানুষগুলো ছেড়ে যাবে
বিদ্যা ছাড়া এই ভুবনে চলা ভীষণ দায়, অন্ধকারে জীবন ঢাকে পথ খুঁজে না পায়। বিদ্যা ভাসে দুখ সাগরে সুখের ছায়া হয়ে, টাকা সম্পদ সব ক্ষয়ে যায় বিদ্যা যে যায় রয়ে।
সকাল বেলা বউয়ের চিল্লাচিল্লি, ঘরে নাই বাজার রান্না করব কি? এই নাও বাজারের ফর্দ বাজার আনো জলদি জলদি। বাজার গিয়ে দেখি,যে অবস্থা আমরা গরীব মানুষ খাবো কি? কোন কিছু নাই সস্তা দাম শুনে হইলাম বেহুঁশ। খালি হাতে ফিরলাম বাড়ি বউয়ে শুনতে হবে কথা। শোন বউ,চাল,তেল,ডাল দাম বেড়েছে জবর। সবজির বাজার চরম, মাছের বাজার গরম, মাংসের বাজার হাজার, কোন কিছু নাই সস্তা, কচুশাক গরীবের আস্থা। বউ শোনে মহা গরম বউ কথা কয় না নরম। কোন কিছু নাই উপায়,
চারদিকে ধূধূ বালিয়াড়ি। মাঝে ছোট্ট শান্ত নদী। সরস্বতী নদী এখানে এসে প্রায় ছোট বিলে পরিণত হয়েছে। সামনে চর। মোহনপুরের চর। ওসমান মিঞা হাট থেকে ফিরছিলেন। নদীর ওপর ডিঙ্গি নৌকায় বসে
তুমি আমি যুগলবদ্ধ প্রীতির বন্ধনে শ্রাবণ হাওয়ায় দোদুল দুলেছি দখিনা সমীরণে। দিবস ও রজনী খুঁজে ফিরি একূল ওকূল হৃদয় হরিণী গীত গেয়ে যাই পরান- আকুল। আমরা দুজনে চলতি পথের সঙ্গী
গাছপালা ফুল ফল প্রভুর দেওয়া দান, সবুজের চারিদিক জুড়ায় মন প্রাণ। শীত এলে হেমন্তে শাকসবজি ভরা, নিয়ামতে চাদরে বিলিয়েছে ধরা। গরম, শীত বারো মাস মিষ্টি সুভাষ ঘ্রাণ, ছয় ঋতু আমাদের
একে বেকে চলে গেছে হিজল নদীর তীরে, বাঁকা পথে চলতে হবে হাঁটতে হবে ধীরে। খালি পায়ে মেঠো পথে হাঁটছে যেন ভবে, কিশোর বুড়ো আপন মতে হেঁটে চলে তবে। বাঁকা পথ