যদিও উঠেছে নতুন সূর্যোদয় তবুও ঘন কালো মেঘের আবির্ভাব বিজয়ের ডঙ্কায় যদিও কিছুটা হলেও শান্ত হয়েছে কুচক্র প্রহেলিকা । তবুও বারবার আছাড় খেয়েছি বায়ান্ন,একাত্তর, নব্বুইয়ের অকল্যানের দুর্বোধ্য কুহেলিকায়, চব্বিশ এনে
চোষো, যত ইচ্ছে চোষো লীলাবতী রস নিজের ভেতরে পোষো জীবাশ্মের কস। মৃন্ময়ী ঠোঁট দিয়ে যদি পারো সবটুকু করো আস্বাদন জলকে কাঁদতে দাও মরুভূমি যেমন কাঁদে বালির বেদনা শুনে। খা খা
হারিয়ে যাবো চিরতরে একদিন….. সাহারার বুকে তন্নতন্ন করে পাগলের মতো খুঁজবে, এক মুঠো মেঘ হয়ে ভেজাবো তোমায় তখন বুঝে নিবে মুঠো মেঘ আমি। হটাৎ কোথাও যাবে তাড়াতাড়ি….. শার্টের বোতাম ছিঁড়ে
মাঝে মাঝে খুব মন খারাপ হয় , শীতের কুয়াশা ভরা সকালে যখন এক চাদরের তলায় আমি ,তুমি। বর্ষার প্রথম দিনের বৃষ্টিতে আমি ,তুমি এক ছাতায়, কিংবা সাঁঝের গোধূলি বেলায় বারান্দায়
বিনিময়ে নয় বরং আতিথ্য গ্রহণ করো অব মস্তকে নয় বাজনা বাজিয়ে শন শন পাতা ঝরার আয়োজনে। শিরিষের ডানায় ভর করে একটা আয়োজন সমাপ্তির নয়—দারুণ মনোবলে! পাড় ভাঙা পাহাড়ের কিংবা নদীর
বাক-বাকুম পায়রা মাথায় দিয়ে টায়রা নাচো তা ধিনা ধিন টুপ কইরা ঢুকে গেলেই আসবে না সুদিন। আমরা সবাই বসে আছি রেডি আয়না ঘর আর কতোদিন থাকবে দূরে মোদেরকে করে পর।
গ্রামে থাকা শিশুকালের খেলার কথা বলি জায়গা ছিল গাছের তলে নয়তো কোন গলি। সুপারি খোলা গাড়ি ছিল কলাপাতার থালা টাকা ছিল কাঁঠাল পাতা শাপলা গলার মালা। কাপড় দিয়ে তৈরি পুতুল
আলাস্কা,হোয়াট ইজ দ্য টাইম নাউ? আমি তখন ফোনে কান পেতে উৎকর্ণ হয়ে আছি। একটু বাদেই আমেরিকার মিশিগান শহর থেকে কথা ভেসে এলো, ভারতবর্ষের কলকাতায়, আমার কাছে, আমার শহরে। আলাস্কা জানালো,
জীবন একটা পথ গন্তব্য নির্জন দ্বীপ কখনো অমাবস্যা কখনো পূর্ণিমা পেরিয়ে এগিয়ে যায় জীবন। অমাবস্যা চাঁদের জন্মক্ষণ আঁধারে ধীরে ধীরে চাঁদ পূর্ণতা পায় ভরা পূর্ণিমায় পূর্ণিমা তিথির অপেক্ষায় থাকে পুরো
কিংশুকের বিয়ের সময় নেমন্তন্ন করা সত্ত্বেও, সুলগ্না আসতে পারে নি। ও তখন ব্যাঙ্গালোরে ছিল। ওর হাজবেন্ড নীতিশ অফিস থেকে ছুটি ম্যানেজ করতে পারে নি। গতকাল কিংশুকের অফিসে দুপুরের দিকে একটা