সবাই বলত,তোর কিস্যু হবে না। মন খারাপ হোত সুজনের।মন খারাপ হলে,ও নদীর কাছে যেত, সবুজ ধানক্ষেতে হেঁটে যেত। মাঝে মাঝে ঘর ছেড়ে উদাস বাউলের মতো অজানা নগরীর পথে হেঁটে যেত,
সেদিনের সেই সুঠাম দেহ আজ হারিয়ে গেল কই, সময়ের কি নির্মমতা আমি অবাক চেয়ে রই। দেখতে গেলে চশমা লাগে আজ হাটতে গেলে লাঠি , উজান চলা দেহখানি বয়সের ভারে ভাটি।
ও ডাক্তার! সবার যেন সাহায্য করা না করিলে দিশেহারা, আমার রোগের ওষুধ কি? চিকিৎসা মোর আছে নি? ও ডাক্তার! সত্য কথা বলতে থাকি মিথ্যে হতে দূরে রাখি, ওষুধ আমায় দিবে
নদীর আমি গল্প হতাম নৌকা হতো সাথী, পূর্ণিমারই আলোর দিশায় সঙ্গ দিবারাতি। আমাবস্যার চাঁদের মত করে নেবে বরণ, রেখে যাওয়া গল্পকথা পদবিলায় চরণ। যুগান্তরের জন্য আমি করলাম কতটুকু? মহা জগৎ
ভোরের সকাল শীত বালিকা হেঁটে কোথায় চলে? কুয়াশারী বৃষ্টি দিয়ে মুচকি হেসে বলে! হালকা শীতের আহ্বানে শিশির ভেজা ফুল, শাপলা শালুক দিলাম ছুঁয়ে আমি শীতের মূল। পদ্ম ফোটা বিলের পানি
সকালের সোনারোদ পালকের ভাঁজে আঁচলভরা আদর, আবেগ দারুণ উদ্বেলে, রক্তিম আভায় আবেশিত মুখখানি, কি যে মায়াময় অসীম সুনীল সীমানা আল্পনায় মিশ্রিত স্নিগ্ধ হাসির অনুরণন। মায়াবি হাসির উচ্ছল মোহনায় ভেসে ভালোবাসা
গুড়ুম গুড়ুম বজ্রপাতে আকাশ যেন কাপে, পশু পাখি মৎস্যরাজি আছে ভীষণ চাপে। শিলায় শিলায় ঘর্ষণ হয়ে আগুন যেন পরে! আকাশ থেকে বৃষ্টি গুলো ফুলকি হয়ে ঝরে। হঠাৎ হঠাৎ আলোকিত বিজলী
মেলায় যাবে দিদিমণি বিড়াল ছানা নিয়ে! সবাই মিলে মজা করে দেখব পুতুল বিয়ে। নাগরদোলায় চড়বো সবে চুলের ফিতা নিব, দাদার জন্য চশমা কিনে মাকে আমি দিব। কাঠের নৌকা পুতুল আমার
সাদা-কালো রঙিন দিনের হারিকেনের পড়া! মাটির ঘরে সময় যেন জীবন ছিল গড়া। বিকেল হলে খেলাধুলা পাঠশালায় যাওয়া, ছুটির দিনে সবাই মিলে চড়ুইভাতি খাওয়া। আলিফ লায়লা চল্লিশ চোরের আলাদিনের জ্বিন, সাদা
হাওড়া থেকে যখন ট্রেনে উঠেছিল, তখন ওর রিজার্ভ সিটটি জানালার কাছে পড়ায়, উৎসব খুব খুশি হয়েছিল। প্রিয় শহর কলকাতা ছেড়ে যাবার সময় খুব মন খারাপ হয়েছিল ওর। বাবা মা, ভালোবাসার