প্রিয় নিখিলেশ, ভুলে থাকা ভালো। ভুলেই তো ছিলাম। নিজেকে বুঝিয়েছিলাম, যা হবার ছিল, তাই হয়েছে। আমার তো কোন দোষ নেই। ভাগ্যে ছিল না, তাই হয়নি। শুধু শুধু নিজেকে কষ্ট দিয়ে
স্বাধীনতা কবে তুমি প্রথম কথা বললে শিশুর মত চিৎকার ধ্বনিত হলো, টেকনাফ থেকে তেতুলিয়া জুড়ে। একটি দেশ চাইলে পৃথিবীর বুকে স্বাধীন যেখানে থাকবে না কেউ কারো অধীন। সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সেই
হাঁটছি আমি শহরের পথ ধরে, ভাবনারা দংশিত বিষ, শ্বাস নিতে গেলে যেন বিষাক্ত বাতাসে মরে যায় নিশ্বাস। যেন এক রক্তাক্ত গান এই নগরের ঘামে ভেজা পথ, যেখানে সব মানুষই শুধু
এই নিয়ে পরপর তিনদিন গিন্নী সীমার সঙ্গে আমার ঝগড়া হয়ে গেল। চাকরির আমলে এমনটা দেখিনি। অবশ্য তখন বাড়িতে কতটুকু সময়ই বা থাকতাম! রিটারমেন্টের পর সব সময় ঘরে থাকি। সকালে বাজারে
আমি যাই, আমার স্মৃতিরা আমার সঙ্গে সর্বক্ষণ হাঁটে। মেঘে মেঘে বেলা হয়ে গেল। কত পথ পেরিয়ে এলাম। দাঁড়ে বসে পোষা ময়না পাখি বলে, দিন যায়, দিন যায়। জীবন যেন পায়ে
রাতের নীল জ্যোৎস্নায় ঝর্নার জলে যে পুরুষের ছায়া দেখে তুমি চমকে উঠেছিলে,এই মেয়ে, সে তোমার অতীত, সেই থেকে অতীতকে দেখে তুমি ভয় পাও, ভয়ে কাঁপো, এই পাহাড়, এই নদী,এ আকাশ,ঐ
তুমি বার বার কভু নয়, যুগে যুগে তুমি পৃথিবীতে, একবারই জন্ম গ্রহণ করবে, একবার মৃত্যু বরণ করবে, তোমার কিছু ভালো কর্মগুণে, পৃথিবীর মানুষগুলো তারা, চিরদিন যেন স্মরে তোমারে। তুমি হতে
আমরা যে বলি জীবনের সব অতীত ভুলে গেছি, চাইলেই কী স্মৃতিময় মুহূর্তগুলো ভুলে থাকা যায়? সুস্থ দেহেও রয়ে যায় ব্যাধিতে ভুগতে থাকা ক্ষতচিহ্ন বিদ্যুৎহীন সন্ধ্যায় মনে পড়ে কেরোসিনের চেরাগ বাতি
তোমার আগমন ছিল হঠাৎ জ্বলে উঠা নীহারিকার মতো ক্ষণিকেই ঝরে গেলে হৃদয় আকাশ থেকে। একবার ফিরেও দেখোনি কতোটা চাপা কষ্ট নিয়ে দাঁড়িয়ে আছি পথের প্রান্তে উত্তাল সমুদ্রের ঢেউ বুকে। প্রেমকে
অন্ধবিশ্বাসে ডুবেছি প্রেমমায়া ঘোরে, অকারণে দোষী করে ছেড়ে গেলে মোরে। উৎসাহে কেড়ে হৃদ্ ছলনার জালে, নদী হতে তুলে মোরে সাগরে ডুবালে। অতি যত্নে ভেঙে দিলে বক্ষের পাঁজর, আজো খুঁজে পাইনি