আলেমদের মেরে যারা ত্যাগ করেছে দেশ! স্বৈরাচারীর পতন হলো স্বাধীন বাংলাদেশ। ছাত্র-ছাত্রী জীবন দিল আমজনতার মাঝি, রিজার্ভ সব লুঠে নিয়ে দেশ ছেড়েছে আজি। রক্ত খেকো পিশাচিনী দলের নেতা নেত্রী, পালিয়ে
তুমি যেন থাকো বন্ধু চিরকালই নবীন, ভবঘরে রক্ত শেফালী হবে না যে প্রবীণ। তোমার লালে প্রবাদ যেন সত্য নয়ন তারা, রেখে গেছো বন্ধু তুমি প্রেমের ঝর্ণাধারা। অশ্রুসিক্ত ঘুমায় আছো মৃত্তিকারী
চারিদিকে বর্ষা বইছে পুকুর নদী ভরা, মিষ্টি জলের উল্লাসেতে মৎস্য রাজি ওরা। মলা-ঢেলা রুই কাতলে মাছের আনাগোনা, নতুর পানির জলপাতে টেংরা পুটির পোনা। পাঁচমিশালীর পুষ্টিগুনে তেলাপিয়ার ভেলায়, পাঙ্গাস তারাও বাদ
দাঁত পরেছে খুকুমণির জন্মদন্ত নড়ে, আব্বু, আম্মু, ছোটমনি সবাই মিলে ধরে। দাঁতের উপর দাঁত উঠেছে সামনে পিছের ঘরে, সবার নাকি ঘাম ছুটেছে টানাটানির করে। দাঁতের গোড়ায় রক্ত ঝরে ধৈর্য আমার
রাজ্যের রানী রাজ ভবনে ময়ূর পঙ্খি পোষে, ঝাপটে মেরে ময়ূর ডানায় সাপের মত ফোঁসে। রাজ ভবনে ময়ূর পোষে দিলো তাকে দানা, রাজ্যের রানীর হুকুম পেয়ে দিচ্ছে প্রজার হানা। ভাতের দানা
১)”আত্মদান বৃথা যায়না” কলমে-আলমগীর হোসেন তাং- ২৬/০৭/২৪ইং —————————— ভাষার জন্যে লড়াই করে ‘৫২ তে রক্ত ঝরিয়েছে যখন সালাম,রফিক,সফিক, বরকত,জব্বার প্রমুখ যায়নি বৃথা রক্ত তাদের আমরা পেয়েছি রাষ্ট্র ভাষা বাংলা। ‘৭১
বাসায় খবরের কাগজ এলেই প্রতিযোগিতা শুরু হয়- কার আগে কে পড়বে। তবে নাহিয়ানের খুব একটা অসুবিধা হয় না এতে। কারণ, তার পছন্দ আন্তর্জাতিক সংবাদের পাতা। এ পাতা সে আর দাদা
জীবনের কসম, জানতে চাই এ কেমন মাঝি পারাপারের কথা ব’লে নৌকা করে লাশ বোঝাই! আল্লাহর কসম, বিশ্বাস করো নৌকায় উঠে ছিলাম স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবো কলকলমুখর নৌকা জীবনের উচ্ছ্বাস-উল্লাসে ভরপুর, হঠাৎ দেখি
অজগরের মতো নির্বিষ রাজপথ, দিয়েছে পেতে বুক রাজহাঁসের ডানায় বিদ্যাপিঠ! দেয়ালে দেয়ালে গ্রাফিতি প্রজন্মের স্লোগানে কাঁপা তারুণ্যের মিছিল দ্রোহে ফুঁসে ওঠেছে ইটপাথরের অট্টালিকা। রক্তে লেগেছে আগুন, চলছে অধিকারের মিছিল বাকরুদ্ধ
কেউ যায়নি বাদ, জানাজার নামাজ হবে আজ মুখোশধারীরা ছাড়া সবাই নিয়েছে সহবস্থান। শহিদ আবু সাঈদের অন্তিম যাত্রায় নূর হোসেন এসেছিল খালি গায় বুক-পিঠে এখনো খাচ্ছে ঘূর্ণিপাক স্বৈরাচার নিপাত যাক, গণতন্ত্র