আলেমদের মেরে যারা ত্যাগ করেছে দেশ! স্বৈরাচারীর পতন হলো স্বাধীন বাংলাদেশ। ছাত্র-ছাত্রী জীবন দিল আমজনতার মাঝি, রিজার্ভ সব লুঠে নিয়ে দেশ ছেড়েছে আজি। রক্ত খেকো পিশাচিনী দলের নেতা নেত্রী, পালিয়ে
খরগোশ ছানা ধরতে মানা আদর করে কোলে নেনা ছানা নিয়ে তানা নানা তুল তুলে যে গতরখানা। সাদাকালো কত রঙে মিষ্টি চতুর স্বভাব ভঙ্গে খুঁজে বেড়াই বাংলা বঙ্গে দেখা মিলে জগৎ
চাঁদনী রাত আব্দুস সাত্তার সুমন সাদা আভায় রশ্মি বিলায় সূর্য ডোবার সাথে, মিষ্টি আলোয় তোমায় খুঁজে গভীর চাঁদনী রাতে। ধানের শীষে সরষে বাগান আধো আলো ছায়া, শিউলি তলায় গোলাপ জলে
বেলা পড়ে এলো, পশ্চিম আকাশ লালে লাল, নদীর জলে ঢেউ লেগেছে রক্তিম আভার। তখন হেমন্ত দিন, পাতা ঝরার কাল। দেবদারু বন ছাড়িয়ে দোলনচাঁপার ফুল বীথি অতিক্রম করে ছাতিম ফুলের গন্ধ
ধর্ম প্রচার করছে মুসলিম ভিন্ন ভিন্ন দলে, এসো সবাই মোদের কৌমে এমন ভাবে বলে। দলের কোটায় উঠবে তুমি ভাবছো প্রভুর কাছে, শেষ বিচারে পার করিবে কেউবা এমন আছে। জাল মুসলিমের
আবু সাঈদ সবার জন্যে কোটা সংস্কার চায়, ছাত্র-ছাত্রী রাজ পথেতে মিছিল নিয়ে যায়। সেই ছেলেটি ডিগ্রি শেষে ধরবে দেশের হাল, কোটা ভিত্তিক সংস্কার যে হলো তাহার কাল। বন্দুক হাতে ছাত্র-ছাত্রীর
অযথা নিয়ে কথা হয় অন্যের যুক্তি টানে, পন্ডিত মশাই ব্যাখ্যা দেখায় মহাজগৎ জানে। রক্ত আজি হিংসার কড়া শত্রু যেন ঘরে, জঙ্গলের সব আচার রীতি মনে লালন করে। তাহার নেশা নিজে
শপথ ছিলো দেশ স্বাধীনের পাবো স্বাধীন সুখ, কেনো তবেই লক্ষ্য মায়ের সন্তান হারার দুখ! দেশের শত্রু বিনাশ হলো ধরে দীর্ঘ নয় মাস, এতো বছর পরও কেনো আজো দীর্ঘ/শ্বাস! বহু হিসাব
ধর্ম প্রচার করছে মুসলিম ভিন্ন ভিন্ন দলে, এসো সবাই মোদের কৌমে এমন ভাবে বলে। দলের কোটায় উঠবে তুমি ভাবছো প্রভুর কাছে, শেষ বিচারে পার করিবে কেউবা এমন আছে। জাল মুসলিমের
উত্তেজনা রুদ্রশ্বাসে জড়ো পাপে তাপে, গুলির শব্দে আত্মচিৎকার বাংলার ভূমি কাঁপে। হেফাজতে রাখো প্রভু যোগাযোগ যে বন্ধ, কর্ম রুজি জব্দ আজি অর্থনীতি মন্দ। লাঠিসোটা বর্ষা বল্লম হাতে অস্ত্র বাহার, দড়ি