নতুন করে ধরবো হাল উড়াতে হবে নতুন পাল। ছাত্র সমাজ নতুন দল সবাই মিলে সঙ্গে চল। কেউ না আসে দলের মাঝে পাঙ্গানিতে সকাল সাজে। মিলেমিশে করবো কাজ চলবে মোদের নতুন
জিতে গেছি জিতে গেছি বলে খেলার মাঝে, খেলা শেষে লক্ষ্য করে ক্লাইম্যাক্স বাকি আছে। মধ্য লগন পাড়ি হলে আনন্দেরই ভেলা, গোলের রানের সেঞ্চুরিতে জিতে গেছে খেলা? স্বাধীন হলো ঘুমিয়ে আছি
কালের চক্রে পাল্টে যাবে যত অতীতকথা, ইতিহাসের পাতায় পাতায় রবে কর্মের যথা। দেশের ভারটা কাঁধে নিয়ে শোষণ করো যদি, উঠবে জেগে অরুণ তরুণ ছাড়তে হবে গদি। স্বৈরাচারীর শোষণ নীতি চলে
লাল সবুজের চিত্রা ভূমি রক্ত ভেজা মাটি, সবুজ যেন রঙিন লালে শত্রুর ছিল ঘাঁটি। লাগাম ছাড়া পণ্যের দুয়ার ক্রেতা অন্ধ বোকা, সুযোগ পেয়ে হায়না গুলো দিচ্ছে এখন ধোঁকা। হত্যা গুজব
ক্ষান্ত হল নৌকা বাই দুলছে ধানের শীষে, ভূমিদস্যু, দখলদারি ওত পেতেছে বিষে। জামাত ঘেরা লাঙ্গল কাঁধে শত দলের হানা, সুযোগ বুঝে পরজীবী ফন্দি তাদের জানা। সমন্বয়ের আজান শুনে সৈন্য সাজে
সম্প্রতি যারা ভুলে, তারই রক্ত খায় ইতিহাস খুলে জন্মই তাদের অর্জিত পাপ, উপড়ে ফেলো সমূলে। কেউ কেউ যখন প্রশ্নবোধক হয়ে দাঁড়ায় অভিনেত্রী নওশাবার কথা মনে পড়ে যায় আলোকচিত্রী শহিদুল আলম
জানালার গ্রিল ধরে তাকিয়ে থাকা সেই মেয়েটি,, আজ হাসতে শিখেছে, কথা বলতে শিখেছে। দুপুরের তপ্ত রোদের অভিসার পেরিয়ে চুপিচুপি গোধূলি যখন নামে, ঠিক তখন সন্ধ্যা তারা ওর চোখের কোনে ভিড়
প্রিয়তমা, আয়না ঘরের দশটি বসর আমি শুধু তোমাকে ভেবেই বেঁচে ছিলাম! বিশ্বাস করো তোমার গভীর প্রেমটুকুই আমাকে বাচিঁয়ে রেখেছে। আয়না ঘরে প্রেমহীন মানুষ যার হৃদয়ে প্রেম নেই বড়জোড় কয়েক মাস
ধূলির ঢাকায় তারা আজ অস্পষ্ট, অব্যক্ত, কালের স্রোতে হারিয়ে গেছে সেই স্বর্ণযুগের চিহ্ন, মল্লিকাদের নাম আজ কেবলই স্মৃতির ছায়া। তারা একদিন ছিল সবার মুখে মুখে, গান, কবিতা, কাব্যে খুঁজে পাওয়া
ঘাতপ্রতিঘাত ধন্দ হিংসা বিদ্বেষ চাইনা এদেশ মা মাটি কোমল শিশু সবাই ভালো থাকুক, শান্তিতে যেন হয় দিনযাপন আর মৃত্যু চাইনা আপনজন নিয়ে নিরাপদে সকলেই স্বাধীন থাকুক। মায়ের একটি সন্তানও যেন