মুহাম্মদ আবু তাহের— প্রেম লিখেন, প্রকৃতি লিখেন আর মানবতা তাঁর কলমে জেগে ওঠে শিরিষপাতার মতো। এক হাতে কবিতা, অন্য হাতে করুণা — যেন শব্দ ও কর্ম মিশে তৈরি করেছে একটি
জনগণ কিন্তু কেউ কাউকেই ভালো বলেনা শুধুই নিজেকে ছাড়া ! না আমাকে না আপনাকে না তাকে মানে সবাই একই পথের পথিক! নিজে সাচ্চা অন্যকে বলি বেজায় মন্দ এটা হয়ে গেছে
তুমি কাছে ছিলে কিন্তু পাশে ছিলে না তুমি দিনের আলোয় ছিলে কিন্তু রাত্রির নিস্তব্ধতায় ছিলে না। তুমি পাশাপাশি হেঁটে ছিলে কিন্তু কখনো আঙুল ছুঁয়ে ছিলেনা। তুমি কোলাহলে ছিলে কখনো নির্জনতায়
আমরা মানুষ এলাম ভবে হয়ে উত্তম জাতি, এই ধরণী ছাড়তে হবে জ্বললে মরণ বাতি। সবার দেহে বয়ে চলে একই রকম রক্ত, তবেই কেন? হলেন শত্রু আবার কারো ভক্ত। প্রতিহিংসার দাবানলেই
তোকে অন্তর দিয়ে শ্রদ্ধা করে কি লাভ তুই যদি ভাবিস তোর অর্থ লোভ বা তোর থেকে কিছু পাওয়ার আশা বা তোকে ভয় করে শ্রদ্ধা করছি। তোর দুঃখে চোখের লোনা জলে
কিছু ভালোবাসা কথায় মাপা যায় না। কিছু অনুভূতি এত গভীর হয়, যে তাকে প্রতিদান নয়— শুধু নীরব কৃতজ্ঞতায় গ্রহণ করা যায়। আমি সেই নীরবতার মানুষ। যাদের হৃদয়ে আমার জন্য এতটা
যেদিন শুনলাম— “এসব অভিনয় ছাড়ো,” সেদিনই বুঝে গেলাম, তুমি এখন অন্য কোনো প্রার্থনার মঞ্চে অভিনয় করছো। আমি তখনও বিশ্বাসে অন্ধ, তোমার চোখে দেখতাম মহাবিশ্বের ঈশ্বর, তোমার ঠোঁটে শুনতাম অমরত্বের গান।
নিখুঁত আল্লাহর পরিকলপ্না করা যায়না কল্পনা যেদিকে তাকাই দেখি সদা কতো সুন্দর আল্পনা। আকাশ মাঝে মেঘের ভেলা জলে মাছের খেলা রাত্র দিনে কেটে যাচ্ছে আলো আধারির বেলা। হাওয়ার ভাসে পাখ
আমি একদিন বর্ণমালার গর্ভে ঢুকি— জন্ম নেই, কেবল বিদ্রোহের ঢেউ, রক্তের কোলাহল। আলিফের চোখে আগুন— সে জ্বলে যাক বা নিভে তবু সে-ই এখন জাগ্রত যুদ্ধ। মিমের পেছনে দাঁত-মোচড়ানো হাহাকার নীরবতাই
তোমার কৃপণ ঠোঁটের ব্যসার্ধে আমার কুণ্ঠিত প্রেম – লেখে আদিম তাম্রলিপি। পাঁজরের চৌকাঠ পেরিয়ে নিঃশ্বাস ফেলে একরত্তি ভালোবাসা। আনমনা গল্পের নিতম্বে কম্পিত তর্জনী খোঁজে নতুন রূপকথা। নিরবতার স্ব-শব্দ ব্যাকরণ দু’চোখ