আমি তো শুধু তোমাকেই চেয়েছি বহুবার বহু রুপে অনুভব করেছি তোমার স্পর্শ, তোমার উষ্ণতা। তুমি যতবার আঘাত করেছ ততবার আমার নতুন জন্ম হয়েছে আমি বুঝতে শিখেছি জীবন কী! পরম মমতায়
একই বিশ্ববিদ্যালয়, একই বিভাগের নীল বিকেলে পাশাপাশি হেঁটেছি কতদিন। কথা হয়নি কখনো, শুধু চোখে চোখ রেখে নীরবতার ভাষা পড়েছি। তোমার দৃষ্টির ভাঁজে লুকিয়ে থাকত অচেনা এক কোমল স্বীকারোক্তি। আমার চোখও
তুই কেমন করে এতটা পথ পেরিয়ে এলি অবনী? ২৯ বছরের পথ পরিক্রমায় তোর হৃদয়ের দহন কেউ কি বুঝিনী? তোর নিখাদ হাসির মাঝে কষ্টরা কিলবিলিয়ে ঝরতো, তোর নিটল চাহুনীর তারায়, শুকতারার
যে মানুষের অনবরত দুখের সাথেই বসবাস যে দুঃখকেই গিলে ফেলে খাবার হিসেবে সে মানুষের ভাতের খিদা লাগে না— কারণ তাদের ক্ষুধা পেটে নয়, জন্ম নেয় হৃদয়ের গভীরতম অন্ধকারে। তাদের বুকের
📚 নতুন কবিতার বই বইয়ের নাম: অন্যায় মিথ্যাচারলেখক: বাশার আনামবইয়ের ধরন: কবিতাপ্রকাশনী: ঐকতান প্রকাশনপৃষ্ঠা: ৪৮ 📖 বইটি পাওয়া যাবে:✔️ রকমারি.কম✔️ বইফেরী✔️ দেশের বিভিন্ন অনলাইন বুকশপে কবিতাপ্রেমীদের জন্য একটি সংগ্রহে রাখার
বলতে চাইনি তবুও বলতে হচ্ছে বাংলাদেশ ভূখণ্ডে যত্তসব আবাল জনতার বসবাস। বুঝে বেশি, মানে কম নিজে নিজে প্রত্যেকেই সবজান্তা শমসের তাই লাফায় বেশি বিবেকে নয় শুধুই আবেগে। কিন্তু বুঝতে চায়
সূর্য আমার উদয় আলো চন্দ্র হ্যাজাক লাইট, মেঘের ভেলায় চড়ে আমি বিশ্ব করবো টাইট। উল্কাকে মারণাস্ত্র বানাবো তারাকে বানাবো ডালি, আল্ট্রাভায়োলেট রশ্মি দিয়ে বানাবো লেখার কালি। দ্যুলোক, ভূলোক, বিশ্বলোক সবকিছু
রঙিন আলো নিভেছে যে আঁধার কালো রাতে, শূন্য থালা রইলো পড়ে একলা অবুঝ হাতে। দিনের শেষে একলা বসে হিসাব খাতা খুলি, অতীত দিনের স্মৃতিগুলো কেমন করে ভুলি। মিথ্যে মায়ার জগৎ
আমার সবুজ বাংলা এখন ভরে গেছে চোরছেঁচড়ে, সুযোগ বুঝে একেকজন সবকিছুই চুরি করে। কেউবা করে কবিতা চুরি অন্যের লেখা মেরে দিয়ে, জাতির সাথে করে জোচ্চুরি ভাবছি আমি এটি নিয়ে। ত্রাণের
আমার প্রিয় ছোট কন্যার নামটি তাহার জুঁই, স্রোতবাহী চঞ্চল ঝর্নার ডিঙ্গি নায়ের গলুই। তড়িৎকর্মা বিনয়ী স্বভাব ব্যবহার খুব ভালো, জ্ঞানবুদ্ধির নাই অভাব হৃদয় করেছে আলো। প্রভু মহান আমাকে দান করেছেন