সবুজে ঘেরা,পাখি ডাকা শান্ত শীতল গ্রামটির নাম কড়িয়াটা। গ্রামের ছোট্ট একটি মেয়ে শুভা।শুভা ছিল খুব চঞ্চল আর ডানপিটে স্বভাবের । সারাক্ষণ শুধু ছুটাছুটি আর উচ্ছাসে ভরিয়ে রাখতো চারপাশ। বন্ধুদেরকে প্রচন্ড
যেই ছবিতে জগৎ আঁকা তোমার মুখের হাসি সেই ছবিটা দেখি যেই ছবিটা বোধের ভাষা প্রেমের বর্ণ-লিপি ঐ ছবিটা আঁকি যেই ছবিতে আগুন লিখে প্রেমের প্রমিথিউস কাতর যন্ত্রণায়— পাথর আঁকে ছেঁড়া
শ্রাবণের নীল আকাশে ভাসছে বসে মেঘে। নীল শাড়িটা আনবে বুঝি আমায় দেবে ভেট । শাড়ি পরে নীল হব যে আকাশ ছোঁয়ার আশায় আমায় দেখে আকাশ থেকে নামবে জলের ধারায়। বর্ষা
আজ লিখার নেশা হলো লিখতে লিখতে কখন যে সকাল সন্ধ্যা নিশি রাত ফেরিয়ে আদো আলো আদো রাতে পৌঁছালো তখন জানালার ফাঁক দিয়ে কন কনে শীতল সমিরন বইছিলো দুচোখের পাপড়ি তে
ভালো নেই দেশ, ভালো নেই কেউ, আজকাল দুঃশ্চিন্তায় কাটে দিবস-রাত্রি; বড্ডো বেহাল দিনকাল হাটে-মাঠে-ঘাটে বাটে। চারিদিকে ঘটে হত্যাযজ্ঞ, অপরাধ, চকিতে চলছে ‘মব’; ভেবে যাই যতো অন্তরে জাগে অবসাদ- মৃত্যুর উৎসব।
খুলনা আই ডব্লিউ লঞ্চঘাটে গিয়ে লঞ্চ পেলাম না। প্রাইমারি ছাড়িয়েছি কী ছাড়াইনি তখন। দাদা, আমি আর দিদি। বড়ো বোনের ননদের বিয়েতে যাচ্ছি। কী মুশকিল! লঞ্চ ছেড়ে গেছে খুলনা লঞ্চঘাট। দাদা
বসন্তের প্রথম ভোরে, হাওয়ার কানে কানে ফিসফিসানি – `এসেছে রঙের উৎসব, এসেছে আগুনের ফুল`। ঠিক পরম মুহূর্তে, গাঁয়ের মোড়ে, নদীর বাঁকে জেগে ওঠে কৃষ্ণচূড়া- যেন লাল মেঘ ছিঁড়ে ঝরে পড়েছে
আজো একা বসে ভাবছি তোকে নিয়ে স্মৃতিরা সব হারিয়ে গেছে তবে হৃদয়ের কোনে লুকিয়ে থাকা বিন্দু বিন্দু ভালো লাগা গুগো তোকে মনে করিয়ে দেয় বার বার। আর কেনই বা তোকে
যেখানে সত্যের গান গাইতে যাই— মাইকের ভেতর ঢুকে পড়ে রেকর্ডেড মিথ্যা। যেখানে আশার আলো জ্বালাতে যাই— বাতির সুতোর ভেতর ফেটে যায় শূন্যতা। অন্ধকার তখন নিজেকে সাজিয়ে তোলে আলোর নামে। আমি
অনেক দিন একটা বিষয় লক্ষ্য করলাম বাড়ীর পোষা কুকুর’টা ভিক্ষুক দেখলেই ঘেউঘেউ করে তেড়েহেঁকে লাফিয়ে উঠেন। প্রতিনিয়ত কুকুরের এহেন আচরণে ভিক্ষুকের মনে দারুণ যন্ত্রণার কারণ হলো। কতো যে মানুষ এই