এই মৃত্তিকাই আমাদের অস্তিত্ব স্মরণে রেখো,বিক্ষুব্ধ তরঙ্গ মাঝে পথের ঠিকানা পাহাড়ী ঝরণা বেগে আবেগে ভেদরেখাহীন সীমান্ত। দশদিক মন্থন শেষে একটি প্রান্তবিন্দু,কাঙ্খিত জানালা দুর্গম অরণ্য ছিন্ন ভিন্ন করে নেমে আসা নদীর
স্বাধীনতা দিবে, নাকি মৃত্যু দন্ড দিবে? আমি ভয় করিনা থাকিনা আতঙ্কিত। আমরা স্বাধীন ভাবে বাঁচতে চাই, নইলে গলায় দিবে ফাঁসি এটাও চাই! আমি পণ করেছি যাবো না ঘরে ফিরে, বুক
তুমি চলে যাওয়ার পর থেকে আমি আর কবিতা লিখি না। শব্দগুলো রাগ করে দাঁড়িয়ে থাকে জানালার ধারে, আকাশের দিকে চেয়ে থাকে— যেন কেউ আর আসবেনা তাদের জন্য। বুকের অরণ্যে জমে
আমি কবিতার চরণ হতে চাই, তোমার এমনই এক কবিতার; যেই কবিতায় আছে স্বার্থহীন এক ভালোবাসা আশার ভরসা। আমি কবিতার চরণ হতে চাই, তোমার এমন’ই এক কবিতার। যেই কবিতায় রয়েছে শুধু
ছত্রিশের বিদ্রোহ পাখি বন্ধ হয়নি যুদ্ধ! সাম্যের আকাশে তাঁরা হয়ে জ্বলছে শত মুগ্ধ। ছত্রিশের বিপ্লব খেলায় শত্রু বেসামাল, হয়েছিল গন-অভ্যুত্থানা মৃত্তিকা লালে লাল। জুলাই, আগস্ট সংস্কারে ঐক্য জনতা ছাত্র, কোটা
কুয়াশা ভেজা ভোরে সবুজ ঘাসে বিন্দু বিন্দু জলে একাকি হাটতে আমি আমার পাশে শুধু তোমাকে চাই। দুপুরের কড়া সূর্যের ঘাম জড়ানো কিরণে সীমাহীন ক্লান্ত শরীরে অজানায় একাকি হাটতে ছায়া হিসেবে
ব্যস্ত মানুষ, ব্যস্ত শহর ব্যস্ত জীবন ধারা এদিক ওদিক ছুটছে সবাই যেন দিশাহারা। কেউ ছুটে টাকার পিছে কেউ বা চায় যশ কেউ বা ছুটে সুধার তরে কেউ ললনায় বশ। ঘরের
দেশটা নাকি হয়েছে স্বাধীন খুব হয়েছে খুব, পাপাচারের নর্দমাতেই দিচ্ছি সবাই ডুব। পাল্লা দিয়ে যায় বাড়িয়ে খুনের তালিকা, ধর্ষণে আজ আমরাই ফার্স্ট অবুঝ বালিকা। দিনের আলোয় নির্মমতার ভয় করে না
আমরা আর মানুষ হবো কবে? যেদিন রক্তে রাঙানো শিশুর জামা দেখে কেউ ক্যামেরা তুলবে না— বরং জড়িয়ে ধরবে তাকে, কাঁদবে… ঠিক একজন “মানুষের” মতো। আমরা মানুষ হবো কবে? যেদিন মৃত্যু
ঝরা পাতা কি সত্যিই হেমন্তের ঋণ শোধ করতে পারে? যে পাতা একদিন সবুজ ছিল, ছিল জীবনভর আলো টেনে নেওয়ার ক্ষমতা, আজ সে নীরবে মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। মাঠজুড়ে ছড়িয়ে থাকা পাতার