রাজনীতিতে বেড়ে চলেছে শঙ্কা,উৎকণ্ঠা আর হতাশা জনগণ পাচ্ছে না খুঁজে সুস্থ ভাবে বাঁচার আশা। মিলতে চাইছেনা তাই রাজনীতিতে জটিল সমীকরণ রাজনীতিতে করতে চাইছে তারা নতুনভাবে মেরুকরণ। মানবিক মূল্যবোধকে ক্রমাগত করে
আরো একটি রাত কেটে যাক উজ্জ্বল নক্ষত্রের ভিড়ে, বিষণ্ণতার কালিমা মুছে দিয়ে ফিরে আসুক আলোকিত সকাল । আরো একটি পাখি ডাকা ভোর আসুক রোদ্রস্নাত সকালটা হোক গোলাপী আভায় আচ্ছাদিত ।
আমার কাব্য দুঃখগাঁথার, তোমার কাব্য সুখী, আমার কাব্য আমাবস্যার, তোমার চন্দ্রমুখী। আমার কাব্য বিরহ কালের, তোমার কাব্য মিল, আমার কাব্য চোখের পানির, তোমার ঝর্ণানীল। আমার কাব্য সুরের নয় তো, তোমার
ক্ষুধা যখন হাড়ে হাড়ে বাজে ঢাক, অন্নহীন পেট কাঁদে আগুন হয়ে, তবু তিনি ভাঙেন না— ভিক্ষার থালা হাতে নেন না, কারণ আত্মসম্মান তার কাছে অন্নের থেকেও পবিত্র। ঝুঁকে গেছে শরীর,
আগে ছিলাম নদীর মতো— বেগে ছুটতাম, নিজের ইচ্ছেতে ভাসতাম, ক্ষুধা পেলে ভাত, তৃষ্ণা পেলে জল, ক্লান্তি পেলে ঘুম— সবকিছু ছিল সহজ, স্বাভাবিক, স্বাধীন। আজ আমি দাঁড়িয়ে আছি এক খাঁচার ভেতর।
তোমার কাছে একটু ভালোবাসা চেয়েছিলাম বিনিময়ে কি দিলে নিন্দা অবহেলা। তোমার কাছে একটু সময় চেয়েছিলাম তুমি কি বললে অফিসে তোমার কাজ আর কাজ স্তুপ স্তুপ করে টেবিলে নাকি অনেক ফাইল
ঐতিহ্যের ইতিহাস রিকশা, বিষয়টি প্রবন্ধের নামকরণের বিষয়বস্তু হয়ে গেল। কারণ এর সাফল্য অনেক বেশি। তাই আজ এমনই একজন মানুষকে নিয়ে লিখতে বসেছি সেই মানুষ কে কি কেউ চিনেন, জানেন? না,
আমার এইভাবেই কেটে গেলো বসন্ত, সংখ্যা যে হলো একত্রিশ।ঋতু এলো, ঋতু গেলো, কেবলই নীরবতার শূন্যতা বাড়লো। জানালার ফাঁকে রোদ উঠলো, বৃষ্টির ছন্দ এলো, ঝরে পড়লো কাশফুলের সাদা তুলোর মতো সময়।
আমরা দুই মাতাব্বর আছি একগ্রামে দেখতে পারিনা শত্রু ভেবে একে অপরকে। তৃতীয় একজন আছে আমাদের গ্রামে যে কিনা দুর্বল আমাদের থেকে। তাই তাকিয়ে থাকে সে আমাদের দিকে কখন কে দেয়
আমি রূপালি আলোয় ভিজি, নিজের জন্যই নিজের সৌন্দর্য ধরি। আমার দীপ্তি, আমার শক্তি কারো চোখের দয়ার ভিক্ষা নয়— আমারই চোখে আমি জ্বলি, আমারই মনে আমি সম্রাজ্ঞী। আমার আয়নায় আমি পূর্ণ,