তওবা করলে ক্ষমা করেন মোদের স্বয়ং আল্লাহ, দ্বীনের পথে মহৎ কর্মে দিতে হবে পাল্লা। ক্ষমা হলেন মুমিন ব্যক্তির মহৎ একটি কর্ম, দোষী জনকে ক্ষমা করে মেনে চলেন ধর্ম। কঠোরতা ত্যাগ
গুড়িগুড়ি বৃষ্টিতে মৃদু হাওয়ায় যখন আমার চুল এলোমেলো, তোমারো ঠিক তখন বাতাসের ঝাপটা লাগে চুলে,মুখে। কিন্তু তুমি আমি কখনওই একসাথে বৃষ্টির ঠান্ডা হাওয়া গায়ে মাখিনি। জানালাতে বৃষ্টির টুপটাপ বিন্দু দেখে
একটি গরু জঙ্গলে ঘাস খাচ্ছিল। হঠাৎ তাকে একটি বাঘ আক্রমণ করল। গরুটি অনেক্ষন দৌড়ানোর পর উপায় না পেয়ে পুকুরে ঝাপ দিলো। মাত্র শুঁকিয়ে যাওয়া পুকুরটিতে কাঁদা ছাড়া কোন পানি ছিল
বৃটিশ আমল থেকেই কুমিল্লার মানুষেরা খুব বুদ্ধিমান ছিল। তাই বৃটিশরা তাদেরকে বলতো Information Technology Organizer অর্থাৎ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবস্থাপক। অর্থাৎ, বৃটিশ শাষণামলে অফিসের লোকজনের মধ্যে কুমিল্লার মানুষেরা ছিল খুবই দক্ষ
বুড়ি মরে গেল। বুড়োটা ভাঁজ হয়ে থাকা চামড়ার মাঝে ছোট্ট বসে যাওয়া চোখখানা দিয়ে দেখলো… কিছু জল চোখের কোণ থেকে ঝরে পড়লো… ‘লোক দেখানো শোক’ চললো কিছুদিন, তারপর যেন এক
অভিযোগের পাহাড় লয়ে বাইনারি সিস্টেম থেকে ছিটকে আমরা ক্রমশঃ দূরে সরে যাচ্ছি— দুটো মহাজাগতিক ছায়াপথের মতো, আমাদের মধ্যবর্তী আত্মিকতাকে গ্রাস করে নিচ্ছে কী ভীষণ দুর্গম অন্ধকার! তাফেইটির মতো দুর্লভ আমাদের
তোমার কথা আর কখনো ভাববো না বলে মনে মনে কঠিন পণ করেছিলাম তোমাকে নিয়ে আর একটি কবিতাও লিখবো না, অথচ পরিপ্রেক্ষিতের এক দেবদাস আমি কেন জানি পারিনা বেহায়া মনকে শাসাতে
ষড়-ঋতুর মোদের দেশে সবুজ আভা ঘেরা, গাছ-গাছালি ফুলে ও ফলে ভুবণ মাঝে সেরা। গ্রীষ্ম কালে মনটা ভরে পাকা ফলের ঘ্রাণে, খেতে দারুন মজা লাগবে শক্তি পাবো প্রাণে। বর্ষা কালে বাদল
আমাদের গ্রামখানি মায়ের মতন, ফুল ফল ছায়া দিয়ে করে যতন। বৃক্ষলতায় ভরা মায়াবী এই গ্রাম, দেশ আর বিদেশে অনেক সুনাম। কাননে কুসুমকলি ছড়িয়ে দেয় ঘ্রাণ, পাখিদের কলতানে নেচে ওঠে প্রাণ।
শরৎ মানে- আলো ঝলমলে দিন, নদীর তীরে সাদা কাশ ফুলের মায়াবী হাসি। শরৎ মানে- বনে, বাগানে শেফালি ফুলের মৌ মৌ গন্ধ, সবুজ শ্যামল ছন্দময় প্রকৃতি। শরৎ মানে- দখিনা হাওয়ায় কাশ