রাগ করে না খুকি সোনা রাগ করো না তুমি তোমার জন্য তালের পিঠা তৈরী করছি আমি। তুমি আমার লক্ষী সোনা মিষ্টি একটা মেয়ে, রাগটা তোমার ভেঙ্গে যাবে তালের পিঠা খেয়ে।
কানের বাইরে শুধুমাত্র সাপের মুখ দেখা যাচ্ছে। আর বাকি অংশটা আটকে রয়েছে কিশোরীর কানের ভিতর। চিকিৎসক চিমটি জাতীয় একটি বস্তু দিয়ে সেই সাপটিকে বের করার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আর মেয়েটি চুপচাপ
মকলেজ ঘটক আমাদের বাড়িতে এসে বাবাকে বলে আপনার মেয়েকে বিয়ে দিবেন না? বাবা হ্যাঁ দিবো কিন্তুু আমার মেয়ে ধার্মিক ছেলে ছাড়া বিয়ে করবে না এবং আমি ও ধর্মিক ছেলে ছাড়া
পলাশীর আম্রকাননে বাংলা মা নিজের সম্ভ্রম হারিয়ে বিবস্ত্র হয়েছিল ঐ ব্রিটিশদের রক্তমাখা হাতে। এরপর দীর্ঘদিন অন্ধকারে কেটে যায় মায়ের মুখের মালিন্যের ছাপটুকু যেনো মুছতেই চাইছিলো না। দীর্ঘ পথ মাড়িয়ে টুঙ্গিপাড়ার
শত ফুলের সুবাস নিয়ে এলো শরৎ রানী বদলে দিবে প্রকৃতি রূপ শরৎ কালের বাণী। শরৎকালে নীল অম্বরে শুভ্র মেঘের ভেলা ছোটাছুটি –লুকোচুরি করছে কত খেলা। ভোর বিহনে মুক্তা ঝরে শিশির
বিচারকঃ তুমি চুরি করেছো? চোরঃ না হুজুর। আমি কবিগুরুর নির্দেশ পালন করেছি শুধু। বিচারকঃ তার মানে? চোরঃ গতকাল মাঝরাতে একটা গান ভেসে এলো- “আজ জ্যোৎস্না রাতে সবাই গেছে বনে” তাই
আজ তোমার বিয়ে হবে সাজো মনের মত চুলগুলো বেঁধে নিও করে মনের মতো। খোঁপায় বেঁধে বেলী ফুল সিতায় রেখো ঝুলে ক্লিপ দিয়ে আটকিয়ে দিও যায় না যেন খোলে। চোখের উপর
হাতে হাত রাখা সহজ কিন্তু জেনো ভাই মর্যাদা যে রাখতে জানে আপন সে সদাই। মোহ দিয়ে হয়না প্রেম জ্বলে অন্তর দহনে একতরফা প্রেমে তখন শেষ হয় আত্মহননে। চারদিকে হায়রে প্রেম
এভাবেই হারিয়ে যাবো অজানা কোন গন্তব্যে কোন নতুন ঠিকানায়; বিশটি বছর আগের সেই তুমিটা এখনো স্মৃতির ক্যানভাসে ম্লান হয়ে ভাসো। প্রকৃতির সব রূপ রস গন্ধ ভরা সেই বিকেল সেই গোধূলির
আজকের আকাশ কেনো ঝলমল বন্ধুর আগমণে নদীর পানি টলমল। পূর্ণিমার চাঁদ কেনো এতো রূপবতী আমার বন্ধু আসছেন শিঘ্রই অতি। এক আকাশ তারা ফোঁয়াড়ার মতো ঝরে বন্ধু আসছে আমার এতোদিন পরে।