রাজ্যে ভাণ্ডার স্বল্প সময় দিচ্ছে উজাড় করে, নিবে কেউ বা আঁচল পেতে কেউ বা ধামা ভরে। সেই ভাবনায় রাজা মশাই ভাবে আপন মনে, খবর পেলে রাজ-দরবারে আসবে জনে জনে। রাজ
কাজল কালো চোখের মায়ায় কাছে এসেছি পাগল করা হাসিতে মাতাল হয়েছি, মুগ্ধ করা রূপের ছটায় থমকে গিয়েছি, মননের সৌন্দর্যের আকুলতায় ডুব দিয়েছি আমি প্রেমে পড়েছি, হ্যাঁ তোমাতে মিশেছি। শত সহস্রবার
স্রোতে ভাসে জীবন নায়ে ঘোলাট মাখা জলে! পালতলা ওই কাঠের তরী পূর্ব দিশায় চলে। আকাশ ভারী বর্ষা রাজি হাল ধরেছে শক্ত, জোয়ার ভাটার ওই খেলাতে মাঝি মাল্লা ভক্ত। নদীর শেষটা
সবুজ ছায়া পেতে হলে, শুদ্ধ বাতাস পেতে হলে, সুস্থ জীবন পেতে হলে, অবশ্যই গাছ লাগা চাই। বৃক্ষরোপণ করবো সবাই, ভালো রাখবো পরিবেশ। দূষণ মুক্ত রাখবো সবাই,
দুষ্টু ইঁদুর দুষ্টু ইঁদুর চঞ্চলতা ভারি, ক্ষুদ্র তাহার জীবন গতি গর্তে বসতবাড়ি। তীক্ষ্ণ বাহার দাঁতের মাড়ি কেটে কুচি কুচি, যেটা পাবে সেটা খাবে বড্ড তাদের রুচি। বীর সেনানির মত করে
বন্যার পানি নামছে এবার যুদ্ধ হয়নি শেষ, ঘরের ভিতর সর্প রাজা করছে সমাবেশ। কীটপতঙ্গের আনাগোনা রোগের বসতবাড়ি, বন্যায় সবই নিঃস্ব করে ধ্বংসলীলা তারই। আসবা পত্র পচে গেছে স্বপ্ন গেছে মোরে!
টুকরো টুকরো কাচের খন্ড অলংকারের সাজে চকচক করে রংধনু তে সুন্দরীদের মাঝে। হারের বালা, চুড়ির দুলে টিকলি, বিছার, পায়েল অলংকারে অঙ্গ তাহার মন করেছে ঘায়েল। আংটি, ঘড়ি, চেইন, ক্লিপে পরলে
রাতের শেষ ট্রেন ফিরে গেছে। আজ আর বাড়ি ফেরা হলো না মৌলিনাথের। নির্জন ফাঁকা স্টেশন। শেডের নিচে কয়েকজন ভিখারী শুয়ে আছে। দূরে শুয়ে আছে কয়েকটি ক্লান্ত কুকুর। ব্যাগ থেকে কয়েকটা
সাদা ডানায় মন্দ্রিত উড়ন্ত পাখির মতো স্বপ্নভূক রাতের আকাশে যখন চাঁদের শরীরে ঢলোঢলো যৌবন। খোলা চুল সাদা মেঘের দিকে স্থির চোখ মেলে চেয়ে থাকে পাহাড় নদীর দীর্ঘ শাড়ি নিদ্রাহীন অভিসার।
কতো কবিতা প্রতিদিন চারিপাশে রচিত হয় তবুও আমি কবিতা বুঝি না পড়ি না ভাবি না কবির কথা! যখন আমি প্রাইমারিতে পড়ি,মা’ ইস্কুলে নিয়ে যেতো বই ভর্তি ব্যাগটা কাঁধে চলেছে মোর