তৃণমূল থেকে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বিএনপি। ইউনিয়ন পর্যায়ে দলকে সুসংগঠিত করতে শুরু হয়েছে ওয়ার্ড কমিটি গঠন। জেগে উঠেছে দীর্ঘ সময় মামলা হামলায় নির্যাতিত নেতা-কর্মীরা। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচন, কেন্দ্রের এমন ঘোষণায় এখানকার নেতা-কর্মীদের প্রাণোচ্ছল দেখা গেছে। বিএনপিকে সুসংগঠিত করতে পুরুষ কর্মীদের পাশাপাশি পিছিয়ে নেই মহিলা কর্মীরাও। তৃণমূলের এ সম্মেলনে মহিলা কর্মীদেরও ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে দেখা গেছে।
ভোট পেতে প্রার্থীদের কাছে দলের সাধারণ কর্মীদের কদর বেড়েছে। সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হতে কর্মীদের কাছে ছুটছেন প্রার্থীরা। বেড়েছে নেতাদের সাথে কর্মীদের পারস্পরিক যোগাযোগ। সুসংগঠিত হচ্ছে দল। এমন পরিবেশ দলের নেতা-কর্মীদের মাঝে ইতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে মন্তব্য করেছেন দলের সাধারণ কর্মীরা। শুক্রবার সকালে উপজেলা সদরের মনোহরগঞ্জ সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে খিলা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড, মৈশাতুয়া ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড ও ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের ১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব অধ্যাপক সরোয়ার জাহান ভূঁইয়া দোলন এর সঞ্চালনায় সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির শিল্প বিষয়ক সম্পাদক আবুল কালাম।
এ সময় তিনি বলেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এর নির্দেশনানুযায়ী তৃণমূল থেকে উপজেলা পর্যন্ত সকল কমিটি গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হবে।
পরে সম্মেলনে নবনির্বাচিত খিলা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডে সভাপতি হিসেবে সাবেক ওয়ার্ড মেম্বার সালাহউদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার উল্ল্যাহ। মৈশাতুয়া ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে সভাপতি হিসেবে আবুল কালাম মজুমদার ও সাধারণ সম্পাদক তুনু মিয়া এবং ঝলম দক্ষিণ ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডে সভাপতি হিসেবে জাহাঙ্গীর আলম ও সাধারণ সম্পাদক আলী হোসেন এর নাম ঘোষণা করেন তিনি।
এ সময় বক্তব্য রাখেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহবায়ক মো. ইলিয়াছ পাটওয়ারী, লাকসাম উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব আব্দুর রহমান বাদল। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মনোহরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক শাহ সুলতান খোকন, মঞ্জুরুল আলম মজনু, প্রফেসর আলী মর্তুজা ভূঁইয়া, আবুল বাসার কিরণ, এস এম মুনসুর আলম, মাসুদুল আলম বাচ্চু প্রমুখ।