মনোহরগঞ্জ(কুমিল্লা) প্রতিনিধি
মনোহরগঞ্জে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন রতনা আক্তার(২০) নামে এক গৃহবধূ।
খবর পেয়ে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ সোমবার (১৯ মে ) সকালে উপজেলার কেয়ারী গ্রাম থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত গৃহবধূ রতনা আক্তার ওই বাড়ির সৌদি প্রবাসী বেলায়েত হোসেন বাদলের স্ত্রী।
পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ৫ বছর আগে উপজেলা কেয়ারী গ্রামের সহিদের মেয়ে রতনা আক্তারে সাথে একই গ্রামের মৃত আব্দুল হালিমের ছেলে বেলায়েত হোসেন বাদলের সঙ্গে সামাজিকভাবে বিয়ে হয়। ওই দম্পতির ৩ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। রতনার স্বামী বাদল থাকেন সৌদি আরবে। ১৮ মে রবিবার দিবাগত রাত ১০টায় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে মোবাইলে কথা কাটাকাটি হয়েছে।এতে অভিমান করে রতনা আক্তার রাতে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি শ্বশুর বাড়ির লোকজনের।বিষয়টি জানাজানি হলে মনোহরগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে রতনার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক বাসিন্দা
বলেন, বেশ কিছুদিন যাবৎ স্বামীর সাথে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কলহ চলে আসছিলো। রোববার রাতেও তার স্বামীর সাথে মোবাইলে তর্ক-বিতর্ক হয়। রাতে একমাত্র কন্যা সন্তানের সাথে ঘুমাতে যায় রতনা। সকালে রতনার মরদেহ ঝুলে আছে দেখে আশপাশের লোকজনকে খবর দেয় শ্বশুর বাড়ীর লোকজন। পারিবারিক কলহের জের ধরে রতনা আত্মহত্যা করতে পারে বলে ধারণা করছেন তিনি।
নিহত গৃহবধূ রতনা আক্তারের মা জানান, রতনা কেন এমন পাগলামি করেছে আমার বুঝে আসছে না।তবে রতনার মৃত্যু নিয়ে আমাদের কোন অভিযোগ নেই।
এ বিষয়ে মনোহরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)বিপুল চন্দ্র দে জানান- মনোহরগঞ্জ উপজেলার কেয়ারী গ্রামে প্রবাসীর স্ত্রী গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার খবর শুনার পর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে রতনা আক্তারের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে। ময়না তদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। রিপোর্ট আসা সাপেক্ষে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করবো।