1. admin@mannanpresstv.com : admin :
মাদ্রাসায় ছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী গ্রেপ্তার - মান্নান প্রেস টিভি
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ অপরাহ্ন

মাদ্রাসায় ছাত্রীকে ধর্ষণ, প্রধান শিক্ষকের স্ত্রী গ্রেপ্তার

অনলাইন ডেস্ক:
  • Update Time : শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
  • ৪ Time View

ঢাকার সাভারে ১৩ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ ওঠেছে মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ধর্ষণে সহযোগিতা এবং ভুক্তভোগী শিশুকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে ওই শিক্ষকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তবে ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত শিক্ষক পলাতক রয়েছেন।

বুধবার (২১ অক্টোবর) সকালে সাভার উপজেলার বিরুলিয়া ইউনিয়নের তোহফাতুল জান্না মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শিশুটির দাদা বাদী হয়ে মামলা করেছেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটি মাদ্রাসার দ্বিতীয় তলার একটি ফ্ল্যাটে অন্য ছাত্রীদের সঙ্গে থাকত। পাশের আরেকটি ফ্ল্যাটে থাকতেন মাদ্রাসার প্রধান শিক্ষক মাওলানা মো. আব্দুল বারী (৫০) ও তার স্ত্রী মোছা. তোহফা (৪০)।

এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বুধবার সকাল ১০টার দিকে জুতা আনতে দ্বিতীয় তলা থেকে নিচে নামলে শিশুটিকে মাদ্রাসার একটি কক্ষে নিয়ে যান আব্দুল বারী। সেখানে শিশুটির মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করেন তিনি।

পরে অভিযুক্ত শিক্ষকের স্ত্রী তোহফা সেখানে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি কাউকে না জানানোর জন্য শিশুটিকে ভয়ভীতি দেখান বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। কক্ষ থেকে বের হওয়ার সময় শিশুটিকে বিষয়টি প্রকাশ করলে হত্যার হুমকি দেন শিক্ষক আব্দুল বারী। এ সময় মাদ্রাসার বাবুর্চি তানজিলা (২৭) সেখানে উপস্থিত হলে স্ত্রীকে নিয়ে দ্বিতীয় তলায় চলে যান ওই শিক্ষক।

পরে মাদ্রাসা থেকে বাড়িতে ফিরে কান্নাকাটি করতে করতে পরিবারের সদস্যদের কাছে ঘটনার কথা জানায় শিশুটি। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে শিক্ষকের স্ত্রী তোহফাকে আটক করেন। তবে এর আগেই সেখান থেকে পালিয়ে যান অভিযুক্ত শিক্ষক।

সাভার মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মোশাররফ হোসেন বলেন, শিশুটির দাদা বুধবার রাতে মামলা করেছেন। মামলায় মাদ্রাসার মালিক ও তার স্ত্রীকে আসামি করা হয়। শিক্ষকের স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শারীরিক পরীক্ষার জন্য শিশুটিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) পাঠানো হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

প্রসঙ্গত, গত ১৯ মে রাজধানীর পল্লবীর সেকশন-১১ এলাকায় নিজ ভবনের পাশের একটি ফ্ল্যাটে ধর্ষণের শিকার হয়ে নৃশংসভাবে হত্যার শিকার হন দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী রামিসা আক্তার। এ ঘটনায় রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন।

ঘটনার দিনই প্রতিবেশী সোহেল রানাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলার বিচার দ্রুত শেষ করে গত ৭ জুন ঢাকার একটি আদালত প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনকে মৃত্যুদণ্ড দেন।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2022 mannanpresstv.com
Theme Customized BY WooHostBD