আমি সেই ধ্বংস স্তুপ –
কাঠ পুড়ে কয়লা
কয়লা থেকে ও ধ্বংসের চিহ্ন বিলীন করার জন্য ঢেলেছে মনুষ্যত্বহীন ছলনার পোড়া কৃষ্ণ তৈল।
যার দমবন্ধ করা ধোঁয়ায়- আমার শ্বাসনালি পুড়ে যাচ্ছে তপ্ততার অনলে,
জীবন মরণের সন্ধিক্ষণে বেঁচে আছি –
পরম আকুতি প্রভু তোমার চরণতলে।
আমি সেই ধ্বংস স্তুপ –
যার থেকে সৃষ্টির জন্য অবশিষ্ট কিছু ছিলো বিধাতার কৃপায়,
আমি আবার ও শুরু করি।
কিছু ভাঙা আসবাবপত্র দিয়ে-
ধ্বংস স্তুপ থেকে নতুনত্ব কিছু সৃষ্টি করতে প্রয়োজন দক্ষ কারিগর।
আমি যে বড্ড অসহায় –
প্রচার প্রচারণায় ছিলাম বেশ দক্ষহীন,
তবু বিরামহীন পথ চলায় মেলেছে প্রেয়ণার শাখা প্রশাখা।
ধৈর্য আর সহ্য নামের বীজ বপন করে আজ এতো দূর-
সততার আদলে চলতে গিয়ে হোচটে হোঁচট লেগে রক্তাক্ত দেহমন।
তবু বিধাতা দিয়েছেন নিয়ম নীতি আত্মহত্যা যে মহাপাপ –
ধ্বংস স্তুপের কারাগারে এখনো আছেন নাম না জানা জীবন্ত লাশগুলো।
আমি তো সেই ধ্বংস স্তুপ –
বার বার ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর ও গজিয়ে উঠি-
বিধাতার পরম মমতায় নতুন কিছু সৃষ্টির লক্ষে।