এখন অন্ধকার ভয় আর অস্হিরতার প্রতীক নয়
আমুদে অন্ধকারে আলো ছড়ায় ঝাড়বাতি
অসংখ্য ফড়িং ভীড় করে, চলে তাদের নৃত্য -গীতি।
নৃত্যের তালে হেলেদুলে উঠে কামুক-কামুকীর
আবেগ আবেশিত দেহ ভাষা,
অন্ধকারকে বেসেছি ভালো
দিবা ঘুমে কেটেছে আশা।
এখন অন্ধকারে কোন অন্ধত্ব নেই
রাজনীতিকের মশালে পোড়ে,ভীড় করা পতঙ্গের পাখা
পাতাহীন বৃক্ষ দাড়িয়ে থাকে উলঙ্গ শাখা।
সূর্যের বিরোধিতা করে যাঁরা
আঁধারে লুকিয়েছিল মুখ
তাঁরাই এখন সুযোগের ঠিকাদার, কিনছে কত সুখ।
চন্দ্রপুকুরে স্নান সেরে বলেছিল যারা,রোদ বড় তীব্র
তাঁরাই এখন অন্ধকারে নিজেকে হারায়
সুরা পেয়ালায় মগ্ন।
সূর্যকে বিশ্রামে পাঠিয়ে যাঁরা
জোনাকির আলোতে চলে পথ
তাদের জন্য নীল আকাশ কেবলই নীল,
নক্ষত্রশূন্য রাত।
মহাজাগতিক সংখ্যায় ভর করে যাঁরা
জীবন করেছে পাড়
তাঁদের কাছে সংখ্যার খেলা কেবল
সুবিধাবাদের চাল।
মগজের খেলায় বুদ্ধির আলো, বৃদ্ধির প্রতীক
দেখিয়ে চলে না যে পথ
অন্ধকারের তীব্র শীতে হাহাকার ধ্বনি
চলে না তাঁহার রথ
ভুলটাই আঁধার, ভুলটাই নরক আজন্ম লালিত পাপ।
৯ ডিসেম্বর, ২০২৪
ঢাকা,বাংলাদেশ।