হঠাৎ করে তুমি ডুমুরের ফুল হয়ে যাও
কোথাও পড়ে না তোমার শরীরের ছায়া।
আমি চেয়ে থাকি পথের দিকে সেই
সকাল থেকে তুমি আসবে বলে
কখনো কখনও বিকেল গড়িয়ে সন্ধ্যা নামে
সন্ধ্যা পেরিয়ে ঘন কুয়াশার রাত।
রাত গাঢ় হয় চন্দ্রের আলো অস্তমিত যায়
নীরব হয়ে উঠে ব্যস্ততম সড়ক হাটবাজার
ক্লান্ত-শ্রান্ত মানুষ নীড়ে ফিরে ঘুমিয়ে পড়ে,
অদূরে দেখা যায় সাগরের তটভূমি
শান্ত সাগরে স্রোতের মৃদু ঢেউ খেলে যায়।
নিদ্রায় আলুথালু হয়ে পড়ে বনভূমি, জ্যোৎস্নার
আকাশও ঘুমিয়ে পড়ে শুধু আমার দু’চোখ
নিঃশব্দে খুঁজে বেড়াই কেবলই তোমাকে।
মাঝে মাঝে তুমি কোথায় যে উধাও হয়ে যাও
নীরবে সন্ধ্যা নামে শীতের বিকেলে
পাখিরা আকাশে উড়ে চলে যায় দূর সীমানায়,
পার্কে বেড়াতে আসে কপোত-কপোতীরা
আড্ডায় মেতে উঠে বিভিন্ন বয়সের মানুষ,
বাজারে কেনাবেচার ধুম চলে
নাটকপাড়ায় চলে নাটকের শ্যুটিং।
আস্তে আস্তে রাতের গভীরতা নেমে আসে
খদ্দের বাড়তে থাকে নিষিদ্ধ গলির মোড়ে
দালালেরা হাঁক ডাক ছাড়ে, চলে দর কষাকষি।
বনে বাদাড়ে শোনা যায় শেয়ালের ডাক
তখন আমি বড়ই নিঃসঙ্গ একা হয়ে যাই
ফিরতে পারি না আপন আলয়ে।
ঠাঁই দাঁড়িয়ে থাকি তোমার বাড়ির সীমানায়
কখন শেষ হবে তোমার অজানা নির্বাসন,
কবে ফিরে আসবে তুমি
কবে ছাঁয়া পড়বে তোমার নগরীর বুকে?