অনাদিকালের উৎসে উচ্ছ্বসিত উৎসব গ্রন্থির বন্ধন
বর্ণ-গন্ধ-রুপে অগম্য অসাধারণ
শিমুলের লাল পাপড়ি কেঁপে ওঠে ওষ্ঠের ঘর্ষণে
শুক্লা রাতের রজনীগন্ধায় নক্ষত্র খসে পড়ে।
আত্মার ভেতর জ্বলন্ত অস্তিত্ব নির্ভিক যোদ্ধাও নির্বোধ প্রেমিক
মধ্যরাতে ছুঁয়ে হাত প্রজ্জ্বলিত হীরা জ্বলে ওঠে চিকচিক।
মিলনের খেলা কোরামের প্রবাহ বেয়ে সৃষ্টির প্রাঙ্গণে
গভীর হতে গভীরে প্রেমের উৎস খোঁজে পরাগায়ণে।
নদীগুলি সমুদ্রপানে গায়ে গায়ে হাত ধরাধরি
রোদ ঝিকঝিক সাথে বয়ে নুড়ির জাগরণী চুড়ি
ফাল্গুন কল্লোলে প্রেমের সে দরিয়ায় কেঁপে ওঠে ধরিত্রী
ঐতিহ্যের প্রতিমা নয়ন চুমে রাজন্য কিংবা ভিখিরী।
ঐশ্বরিক আলোর হাত আকাঙ্খার বাঁধ গৌরবে মর্যাদায়
নিদ্রা কিংবা জাগরণে অতৃপ্ত হৃদয় প্রশান্ত সূচনায়
বীজমন্ত্র সৃষ্টির ভাঁজে,পাহাড়ের খাঁজে
মৎস্যের উদরে,নুয়ে পড়া শস্যের শরীরে।
ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র নীল ঢেউ,যুথী বনের নীরব ভাবনা
নতুন কোনও বন্ধন অন্য কোনও বাঁক আকাশের আঙিনা
সৃষ্টির শরীর জুড়ে মদির আহ্বানে নতুন মন্ত্রণা
অন্তহীন অন্ধকারে গভীর আলো মিশে অপার নীলিমা।
প্রকৃতির নিয়মসূত্রে প্রাণরসের গতি প্রবাহে
ওড়তে থাকা হাঁসের মতো নতুন সূর্যের দিকে।