প্রাণ প্রতিষ্ঠায় এ কোন্ প্রাণের বিসর্জন?
নৈতিক স্খলনে যে প্রতিস্থাপন, সবই বিভ্রম’তার সমীরণ।
মনে রেখো—
সকল প্রীতি স্থিতি নহে, অস্থিতির আয়োজন!
বাজবে দামামা,
থর-থরে কাঁপিবে চারণভূমি!
ঘিরবে আঁধার,
বাণীর গ্লানিতে পর্যুদস্ত হবেই হবে, যতোই যাও হে চুমি।
কোন্ সে খোয়াব?
কোন্ সে ভাব?
একটি ভাবের বিসর্জনে এ কোন্ ভাবের প্রতিস্থাপন?
আবারো স্থিতি বদলাবে,
দিন গড়াবে
পাঁচ শত নহে তো, হাজার বছর পরে, মহাকাব্য রচনা হবে—
স্বর্ণকমল অযোধ্যা’কে ঘিরে।
এ জাতি করে না-তো নত-শির,
এ জাতিতে রয়েছে ওসমান ওমর, আলী, আরো নাম না জানা কতো বীর।
চূর্ণ-বিচূর্ণ হবে অহমিকা, ধুলোয় মিশে যাবে যস খ্যাতি,
স্তম্ভের প্রতিবিম্ব-টাও তলানিতে যাবে—
সাইক্লোন সৃষ্টি হবে, সুনামি হবে, কম্পন হবে মহাবিশ্বে,
যতই হোক মার্ক দর্শন, হোক যতো ব্যাপ্তি।
চিরন্তন নহে কিছু, নহে ভাব থেকে ভাবের উঁচু নীচু—
ছিন্ন করিবার প্রয়াস টুকু—অশালীনতা
ব্যত্যয় ঘটানোর যতো আয়োজন,
প্রাণ প্রতিষ্ঠায় এ কোন্ প্রাণের বিসর্জন।