শরতের এই বাদল দিনে পরছে তারে ভীষণ মনে,
বর্ষা মুখোর প্রভাত ঘুম কাতুরে তারেই ঘিরে
চোখ বুজে তাই কল্পনাতে রাখছি তারে আলিঙ্গনে
সবটা জুড়ে তার বিচরণ, মানছে নাতো অবুঝ মন।
কেনো যে হয় এমন? কি যে আছে ভাগ্যের লিখন
মনের সাথে যায় কি লড়া যখন তখন।
মন যে এক অবুঝ পাখি, কোথায় গেলে হবে সুখি
কার ছায়াতে সুখের নীড়, কেইবা হবে স্বপ্নের বীর
তাই না ভেবে দু–টানাতে স্রোতের টানে যাচ্ছে ভেসে দূর হতে দূর –দূরান্তরে ।
ফেলছে সেতো ঘোরের ঘরে, আপন টানে রাখছে ধরে,
তাকে ছাড়া এখন যেনো সবটা কেবল শূন্য শূন্য
যতই যাচ্ছি অলক্ষ্যে ততই যেনো থাকছে সে সবটা জুড়ে।
এ কেমন মায়া বলো? ভাসছে দু-চোখ অশ্রু জলে
বৃষ্টি স্নাত দুপুর গুলো তার আদলে ভরে উঠে।
গোধুলী বিকেল সাঁঝের বেলা সবটা যেনো তার ছায়াতে রঙিন হলো।
চাঁদ জোছনায় আলপনাতে তার ছবিটা আঁকে মন আনমনেতে
কেনো সে স্বপন দেখায়, কেনো আসে কল্পনাতে।
হে বিধাতা এই তোমার কেমন খেলা, চাইছো কি বলতে পারো?
কেনো তুমি পুতুল করে রোজ খেলো এমন করে,
দাওনা এবার বিদায় তুমি পৃথিবীর এই রঙ্গ থেকে।।