সময়ের পরিক্রমায় তা তেঁতো হয়ে যায়!
তখন আসল আর নকলের পার্থক্য বুঝা দায়।
নকল মিষ্টিকথার সম্মোহনী জালে জড়িয়ে
গ্রীষ্মেকালকে মনে হয় বসন্তকাল।
প্রজাপতিরা ডানা মেলে উড়ে যায় সুদূরে
গাঙচিল মরা ডালে বসে ঝিমুনি দেয়, আর
ডাহুক পানকৌড়ি জল ছেড়ে ডাঙায় ওঠে;
অলীক মিষ্টি কথায় প্রকৃতিও বিরূপ ধারণ করে
শাশ্বত সুন্দর আগাছায় ভরে ওঠে সময়ে অসময়ে।
যতটুকু এগোনো যায় ততটুকুই পথ
বাকিটুকু হলো নানা মুনির নানা মত,
নিঃশব্দে শিশির এসে ঘাসের ডগায় বসে
পথিক সে পথে হেঁটে হেঁটে সিক্ত হয়, শিহরিত হয়
শিশিরের কান্না শুনতে কি পায় পথিক?
শিশির অপেক্ষায় ছিলো সূর্য ওঠার ক্ষণ গুনে,
পথিকের কি দোষ, তাঁরতো গন্তব্যে পৌঁছাতে হবে
শিশিরের কান্না পথিককে ব্যথিত করে-
পথিক পথ পরিবর্তন করে পিচঢালা পথ ধরে-
ভুল মানুষের মন ভুলানো কথা ভুলে।
এবার সূর্য এসে উষ্ণ ছোঁয়ায় শিশিরকে বুকে নিবে
শিশিরের সাথে সূর্যের সন্ধি হলে
পথিক আলপথ ধরে ফিরবে শিশিরের মায়ায়
সাঁঝের বেলায় সূর্য যখন ঘুমিয়ে পড়বে
পথিক সিক্ত পায়ে ফেরার গন্তব্যে আন্দোলিত হবে।
…………………………………
২৬/০১/২০২৪@বরিশাল