চাকুরীটা আর তুমি
দুটোকেই অতি কষ্টে ধরে রেখেছি আজও
যন্ত্রণা আর চাকুরীতে পার্থক্য কোথায়
যেমন পার্থক্য নেই তোমাতে আর যন্ত্রণায়।
দীর্ঘদিন চাকুরীর দাসত্ব করেও তার মন পাইনি
যেমন করে বুঝতে পারিনি
তোমার মনের জটিল সমীকরণ।
কত শ্রম, কত বিশ্বাসের ঘাম ঝরিয়ে
পাইনি কখনো বস্-য়ের হৃদয়ের হদিস
যেমন করে জানতে পারিনি
তোমার হৃদয় যমুনার উজান-ভাটির টান।
কত কষ্টের প্রহরে!
তীব্র দীর্ঘশ্বাসে ফুসফুস ফুলে বেসামাল হয়
কেউ দেখেনা সেই মধু আহরিত পোকার
দীর্ঘ শ্রম কাহিনির বিন্দু বিন্দু সংগ্রাম যুদ্ধ
তবুও বস আর অফিস, সংসার আর তুমি
সব এক-ই রকম লাগে ;
কষ্ট আর দীর্ঘশ্বাসে নীল যন্ত্রণা ভাসে,
আকাশ দেখে না নক্ষত্রের মায়া
কতটা ভালোবাসে তাকে
সবাই শুধু পারফরম্যান্স চায়,যাহাতাক যাহাকিছুভাবে।
কত লাঞ্চ না করা ক্লান্ত দুপুর পার হয়ে যায়
কঠিন প্রতিযোগিতার কর্পোরেট বানিজ্যের
হিসেব মেলাতে মেলাতে
যেমন করে মেলাতে হয় তোমার দেওয়া বাজারি লিস্ট
ক্ষুধার্ত ক্লান্ত দুপুর-সন্ধ্যায় হয়ে যায় বিলীন।
চাকুরীটা আর তুমি দুটোকেই অতি কষ্টে
সামলে রেখেছি আজও
প্রাণের আকুতি ভালোবাসার ঘ্রাণ খুঁজে বেড়ানো,
সব ইচ্ছেগুলো তোমাতে বিলীন বলেই–
এখনো বয়ে বেড়াচ্ছি এই নেশাময় কষ্টের বহন।
১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৪
ঢাকা, বাংলাদেশ।