বিকেল শরতের হয়,গ্রীষ্ম, বর্ষা,শীতের হয়
এমন এক বিকেলে দেবদারু গাছটা
দাড়িয়ে ছিল দীর্ঘ অপেক্ষার ক্লান্তি নিয়ে।
দাড়িয়ে ছিল বাতাসের মমত্ব মেশানো
আলিঙ্গনের স্পর্শ সুধা টানে।
এমন সুখ স্পর্শ সুধা টানে,নেশা থাকে
থাকে তৃপ্তিময় বিস্ময় বোধের অপেক্ষার ধ্বনি।
সেই ধ্বনিতে শাখা নড়ে, পাতা পরে
ভালবাসা ঝরে,আসে ঝড়োময় হাওয়া।
কখনো মেঘেরা উর্ধ্বাকাশে উঁকি মেরে যায়
হাওয়ায় ভাসানো সাম্পানের পাল তোলা গতির মায়ায়।
দেবদারু সেই সকাল -সন্ধ্যা দাড়িয়ে থাকে
পূর্ব অথবা পশ্চিম আকাশের প্রাচীরের মতো
এক অনন্ত স্হির চিত্র, ক্লান্তিহীন অপেক্ষা —
দেবদারু দাড়িয়ে থাকে,বাকল খসে,বাকল ঝরে
শ্বেত জবার পাপড়িতে লেগে থাকা শুভ্রতার মত,
বিন্দু বিন্দু রক্ত ফোটা ঝরে যায় অলক্ষ্যে
তবুও অপেক্ষা শেষ হয় না!
ঐতো মেঘের পালঙ্কে চড়ে এসে গেছে স্বপ্ন কুমারী
এখনই আলিঙ্গনের পত্র ওষ্ঠ ভিজে যাবে
ক্লোরোফিলের সচেতন উল্লাসে
অক্সিজেনের উদ্দাম গতিপথ
তুলে ধরে দেবদারুর মাথা;
বৃষ্টিতে ভেজে, রোদে পুড়ে
প্রয়োজন নেই দেবদারুর ছাতা।