–আগুন–
তাসলিমা আক্তার
মনের আগুন কেউ দেখেনা
বনের আগুন সবাই দেখে
বেইলীরোডের আগুন লাগে
কাচ্ছি ভাইয়ের খাবার ঘরে।
খাবার খেতে গেলো যারা
আর ফিরলনা বাড়ি তারা
কেউ ঝলসে কয়লা হলো
কেউ বা আবার বার্ণ ইউনিটে।
আগুন হলো সর্বনাশা
লাগলে পরে ছাড়তে হয়
বাচার আশা।
কারো পুড়ে দোকানপাট
কারো পুড়ে দালানপাট।
সর্বনাশা আগুন তুমি
করো নৈরাশা।
আগুন তুমি পুড়ে ছাই করো মানুষের সপ্ন ভালোবাসা।
আগুন তুমি আর কতো
পুড়ানোর পর হবে ক্ষান্ত
কোন দিন মানুষ
তোমার থেকে হবে শান্ত।
— কবর—
তাসলিমা আক্তার
মৃত্যুর পর সাড়ে তিন হাত
মাটির নিচের ছোট্ট ঘর
তার নাম হলো কবর
আল্লাহ ছাড়া জানেনা
সারা দিন রাত ওখানে
কার কখন কি হয়
কেউ জানতে পারে কি
তার খবর??
সেখানে থাকে না
বাবা,মা আত্মীয় সজন
থাকে যোগাযোগ এর মাধ্যম
থাকে না কোনো সুজন।
পথের পাথেয় যদি থাকে সাথে
লাগে না আর কাউকে
কবরের অন্ধকার ঘরে
আলো থাকে তার সাথে
যে করেছে প্রেম
আল্লাহর নবী ও রাসুলের সাথে।
অন্ধকার কবরের
আলোর দিশারী পেতে হলে
সালাত,সাওম ও
হজ্জ পালন করতে হবে
আলাহর বিধান মতে।
যাকাত দিতে হবে
গরিব, মিসকিনদের
তাহলে আমাদের ঈমান
আমল হবে মজবুত।
কবরের সাপ,বিচ্ছুর
ছোবল থেকে বাচতে
আমাদের ইসলামের বিধান
সঠিকভাবে হবে মানতে।
— সকাল–
তাসলিমা আক্তার
প্রতিটি মুহুর্ত অপেক্ষা করি
কখন আধার কেটে সকাল হবে
প্রতিটি রাত কাটে আমার ভয়ে শংকায় আত্মচিতকারে
সকাল হবে সুর্য্যের আলো নিয়ে।
আমি কবে পাব
তোমার দেখা
আমার হৃদয় হয়ে
আছে এক রোখা।
আমি ভাবি সারানিশি দিন
কবে আসবে সে শুভক্ষণ
ভোরের পাখির
কিচিরমিচির ডাক
কৃষকের লাঙল
জোয়াল কাধে হাক।
বাগানে নানারকম ফুল
সকালে সেই ফুল
কুড়াতে মালীর মেয়ে
করেনা ভুল।
কারন রাতের পরেই
তুমি সেই শুভ সকাল।