কিছু হয় বা না হয়
মাঝে মধ্যেই কিছু লিখি
অবচেতন মনে সে সব লিখা
কেউ একজন গুছিয়ে রাখে,
অনেক কিছুই লিখে ফেলি!
কিন্তু একটি কথা খুব সযতনে এড়িয়ে যাই,
কি সেই কথা?
কি নেই আমার?
হঠাৎ করে মনকে গভীর ভাবে প্রশ্ন করি,
এতো মানুষের ভীড়ে আমার কোনো বন্ধু আছে?
নিঃস্বার্থ?
বুকের মধ্যে কি যেন একটা দোল খায়,
ঘড়ির পেন্ডুলামের মতো
এদিক ওদিক-এদিক ওদিক,
কি যেনো খুঁজে বেড়ায়
নিঃস্বার্থ কোনো ভালোবাসা, স্বার্থহীন কোনো মুখ, কোনো বন্ধু!
আমি যখন বিমর্ষ খুব,
আলতো করে হঠাৎ
পিঠের উপর হাতটি রাখে,
বলে কি এমন ভাবছো?
বিষন্নতায় ছেয়ে আছে
সারাটা মুখ!
পাশে আছি, আছিতো পাশে!
হাজার লোকের ভিরে যখন একলা হাঁটি
পায়ের নিচে পিচ্ছিল মাটি
বারবার হোঁচট খেয়ে পড়তে গিয়ে ভাবি,
কেউ বুঝি আর নেই এদিকে!
হাতটি ধরে বলে চলো এগিয়ে দেই খানিকটা পথ।
কেউ একজন আছে!
আছে আছে আছে!
অলক্ষ্যে সে দাড়িয়ে থাকে
আমার হাঁটা দেখে, নিবিড় হয়ে বসা দেখে,
আমি যখন ঘুমিয়ে থাকি
নিবিড় ভাবে তাকিয়ে থাকে
আমার প্রতি শ্বাসের খবর
অপলকে সে-ই রাখে!
কে সে, কোথায় সে?
আমি যখন সামনে হাঁটি
পিছন পিছন তার সাড়া পাই
ঘাড় ঘুরিয়ে হঠাৎ তাকাই,
তাকে আমি দেখতে না পাই,
এটাই আমার অমোঘ দহন!
জ্বালায় পোড়ায় যখন তখন,
আমার সব কিছুতেই তার ছোঁয়া পাই,
তারে আমি দেখতে না পাই।