গন্ধম খেয়ে যেদিন নির্বাসিত হলেন আদম
তখনো সভ্যতার আলো জ্বলেনি পৃথিবীতে।
মানুষ তখনো শেখেনি সামাজিকতা।
প্রথমেই প্রয়োজন হলো লজ্জা নিবারণের-
ছাল বাকল জড়িয়ে হলো তার সমাধান
চকমকি পাথর দুর করল রাতের আঁধার।
শিখে নিল অস্ত্রের ব্যবহার -হিংস্র জীবজন্তুর হাত থেকে বাঁচতে,
ক্ষুধা নিবারণের জন্য দলবেঁধে শিকার শুরু করল,
পাথর ঘষে ঘষে আগুন জ্বালিয়ে সভ্যতার আলো জ্বালল তারা।
শিকার করা প্রাণী আগুনে পুড়িয়ে খেতে শিখল।
আদম হাওয়া মিলিত হয়ে বাসযোগ্য করলেন পৃথিবী।
বিংশ শতাব্দীতে নির্বাসিত আদমের বংশধর আজ আধুনিক সুসভ্য সামাজিক জাতি –
নানারকম সুগন্ধী মশলায় মাংস পুড়িয়ে খায়
মোগলাই, থাই ,চাইনীজ ,জাপানিজ,কন্টিনেন্টাল ডিশ আজ খাবার টেবিলে সুগন্ধ ছড়ায়।
বুফে রেঁস্তোরায় সন্ধ্যার পর ঝকঝকে আলোয় একত্রিত হয় নানা সামাজিকতায়
চলে রাতভর গানবাজনা খাওয়া দাওয়া
আলো ও শব্দের গতিতে পুরো পৃথিবী হাতের মুঠোয়।
হোমো সেপিয়েন্স-জ্ঞানী মানুষ।
তিনলক্ষ বছর আগে শুরু হয়েছিল এই সভ্যতার যাত্রা।
মানুষকে সুসভ্য করে গড়ে তোলা আগুনের লেলিহান শিখা আজ তার লকলকে জিহ্বা দিয়ে মানুষকেই পুড়িয়ে কয়লা করছে –
রাগের বশবর্তী হয়ে মানুষই আগুনে পোড়ায় নিজের জানমাল।
সভ্য মানুষ সামাজিকতায় যেয়ে নানা সুগন্ধে আগুনে পুড়ে কয়লা হয়ে সভ্যতার আলো জ্বালে-ছাই হয় জ্ঞানের আলো!